সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সচিব কমিটি। বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বেতন বৈষম্য দূরীকরণ ও নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন এই বেতনকাঠামো কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে বর্ধিত বেতন হাতে পেতে কিছুটা সময় লাগলে তা বকেয়া হিসেবে সমন্বয় করা হবে।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার পে স্কেল তিন ধাপের পরিবর্তে দুই ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা প্রথম ধাপেই ৬০ শতাংশ সুবিধা পাবেন। আর ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের জন্য প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া বর্তমানে যারা অবসরোত্তর ছুটিতে (এলপিআর) আছেন, তারাও এই নতুন স্কেলের আওতায় আসবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর বেতন সংক্রান্ত কিছু বিষয় এখনও পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। তবে সাধারণ সরকারি কর্মচারীদের জন্য বাড়িভাড়া ও চিকিৎসাভাতা বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সংগতি রেখে বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশের লাখ লাখ সরকারি কর্মচারীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















