ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে ট্রাম্পের ৮৭৬০ কোটি ডলারের আবেদন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

হোয়াইট হাউস ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত ‘জরুরি প্রয়োজন’ মেটানোসহ কয়েকটি খাতের জন্য আইনপ্রণেতাদের কাছে ৮৭.৬ বিলিয়ন (৮ হাজার ৭৬০ কোটি) ডলার অনুমোদনের আহ্বান জানিয়েছে। এই অনুরোধ এমন এক সময়ে করা হলো, যখন মাত্র একদিন আগেই প্রেসিডেন্টের সামরিক পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছে মার্কিন কংগ্রেস।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই তহবিলের সিংহভাগ অর্থ, অর্থাৎ ৬৭ বিলিয়ন বা ছয় হাজার ৭০০ কোটি ডলার দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ বিলিয়ন ডলার গোলাবারুদ কেনার জন্য, ১৭.৩ বিলিয়ন ডলার পরিচালন ব্যয় এবং ১২.১ বিলিয়ন ডলার গোপন বা ক্লাসিফাইড কর্মসূচির জন্য রাখা হয়েছে। অন্যান্য বিভিন্ন খাতে বরাদ্দের জন্য বাকি অর্থ চাওয়া হয়েছে, যার মধ্যে মার্কিন কৃষকদের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলার এবং মধ্য আফ্রিকায় ইবোলা প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার জন্য ১.৪ বিলিয়ন ডলার অন্তর্ভুক্ত।

তবে, এই প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেসে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ ইরানের সঙ্গে এই সংঘাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় নয় এবং সামনেই নভেম্বরে দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। হোয়াইট হাউসের অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট বিভাগ বুধবার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার মাইক জনসনের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই তহবিলের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানায়। ইরান যুদ্ধের উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, ‘এই অনুরোধের বেশির ভাগ অংশই অপারেশন এপিক ফিউরি সম্পর্কিত জরুরি চাহিদা পূরণ করবে।’

এই অনুরোধের মধ্যে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কারণ ইরান যুদ্ধের শুরুতেই এর মধ্যে কয়েকটি স্থাপনা হামলার শিকার হয়েছিল। বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে, তবে হোয়াইট হাউসের বাজেট অফিসের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সামরিক হামলার পর পেন্টাগনকে তাদের ‘মজুত পুনর্গঠন’ করতে হবে। এদিকে, গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইরানের সাথে যে শান্তি চুক্তি করেছেন, তা নিয়ে কংগ্রেসের রিপাবলিকানরা সংশয় প্রকাশ করেছেন। বুধবার একটি আবাসন বিল স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আকস্মিকভাবে বাতিল করার পর সিনেটের রিপাবলিকানদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন ট্রাম্প।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি এগিয়ে আসায় বিপাকে পরীক্ষার্থীরা, সিলেবাস নিয়ে দুশ্চিন্তা

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে ট্রাম্পের ৮৭৬০ কোটি ডলারের আবেদন

আপডেট সময় : ১১:১২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

হোয়াইট হাউস ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত ‘জরুরি প্রয়োজন’ মেটানোসহ কয়েকটি খাতের জন্য আইনপ্রণেতাদের কাছে ৮৭.৬ বিলিয়ন (৮ হাজার ৭৬০ কোটি) ডলার অনুমোদনের আহ্বান জানিয়েছে। এই অনুরোধ এমন এক সময়ে করা হলো, যখন মাত্র একদিন আগেই প্রেসিডেন্টের সামরিক পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছে মার্কিন কংগ্রেস।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই তহবিলের সিংহভাগ অর্থ, অর্থাৎ ৬৭ বিলিয়ন বা ছয় হাজার ৭০০ কোটি ডলার দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ বিলিয়ন ডলার গোলাবারুদ কেনার জন্য, ১৭.৩ বিলিয়ন ডলার পরিচালন ব্যয় এবং ১২.১ বিলিয়ন ডলার গোপন বা ক্লাসিফাইড কর্মসূচির জন্য রাখা হয়েছে। অন্যান্য বিভিন্ন খাতে বরাদ্দের জন্য বাকি অর্থ চাওয়া হয়েছে, যার মধ্যে মার্কিন কৃষকদের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলার এবং মধ্য আফ্রিকায় ইবোলা প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার জন্য ১.৪ বিলিয়ন ডলার অন্তর্ভুক্ত।

তবে, এই প্রস্তাব মার্কিন কংগ্রেসে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ ইরানের সঙ্গে এই সংঘাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের কাছে জনপ্রিয় নয় এবং সামনেই নভেম্বরে দেশটির মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। হোয়াইট হাউসের অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট বিভাগ বুধবার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার মাইক জনসনের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই তহবিলের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানায়। ইরান যুদ্ধের উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, ‘এই অনুরোধের বেশির ভাগ অংশই অপারেশন এপিক ফিউরি সম্পর্কিত জরুরি চাহিদা পূরণ করবে।’

এই অনুরোধের মধ্যে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কারণ ইরান যুদ্ধের শুরুতেই এর মধ্যে কয়েকটি স্থাপনা হামলার শিকার হয়েছিল। বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে, তবে হোয়াইট হাউসের বাজেট অফিসের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সামরিক হামলার পর পেন্টাগনকে তাদের ‘মজুত পুনর্গঠন’ করতে হবে। এদিকে, গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইরানের সাথে যে শান্তি চুক্তি করেছেন, তা নিয়ে কংগ্রেসের রিপাবলিকানরা সংশয় প্রকাশ করেছেন। বুধবার একটি আবাসন বিল স্বাক্ষর অনুষ্ঠান আকস্মিকভাবে বাতিল করার পর সিনেটের রিপাবলিকানদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন ট্রাম্প।