ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

স্বাস্থ্য খাতের প্রধান অন্তরায় জনবল সংকট ও অব্যবস্থাপনা: সংসদে মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ

জাতীয় সংসদে স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো ইতিবাচক হলেও জনবল সংকট এবং অব্যবস্থাপনা দূর না হলে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবে না। বর্তমানে এই খাতে প্রায় ৮০ হাজার পদ শূন্য রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাংসদ ফরিদ জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় জনবলের মাত্র ১৮ শতাংশ কর্মরত রয়েছে। এছাড়া প্রতি বছর বাজেটের বড় একটি অংশ অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে। তিনি বলেন, গত বছরও স্বাস্থ্য খাতের পরিচালন বাজেট থেকে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ফেরত গেছে। প্রশিক্ষিত জনবলের অভাব এবং গ্রামীণ পর্যায়ে চিকিৎসকদের থাকার অনাগ্রহ এই সংকটের অন্যতম কারণ।

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭৯ শতাংশই জনগণকে নিজের পকেট থেকে খরচ করতে হচ্ছে। বিশেষ করে ওষুধ এবং রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়। এছাড়া সরকারি হাসপাতালের অর্ধেকের বেশি যন্ত্রপাতি সামান্য মেরামতের অভাবে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এসব যন্ত্র সচল করা এবং ওষুধের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে জনদুর্ভোগ অনেকটা কমে আসবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি: রোনালদোর চোখে ‘যোগ্য কেবল মেসিই’

স্বাস্থ্য খাতের প্রধান অন্তরায় জনবল সংকট ও অব্যবস্থাপনা: সংসদে মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ

আপডেট সময় : ১০:১৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদে স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো ইতিবাচক হলেও জনবল সংকট এবং অব্যবস্থাপনা দূর না হলে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবে না। বর্তমানে এই খাতে প্রায় ৮০ হাজার পদ শূন্য রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাংসদ ফরিদ জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় জনবলের মাত্র ১৮ শতাংশ কর্মরত রয়েছে। এছাড়া প্রতি বছর বাজেটের বড় একটি অংশ অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে। তিনি বলেন, গত বছরও স্বাস্থ্য খাতের পরিচালন বাজেট থেকে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ফেরত গেছে। প্রশিক্ষিত জনবলের অভাব এবং গ্রামীণ পর্যায়ে চিকিৎসকদের থাকার অনাগ্রহ এই সংকটের অন্যতম কারণ।

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭৯ শতাংশই জনগণকে নিজের পকেট থেকে খরচ করতে হচ্ছে। বিশেষ করে ওষুধ এবং রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়। এছাড়া সরকারি হাসপাতালের অর্ধেকের বেশি যন্ত্রপাতি সামান্য মেরামতের অভাবে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এসব যন্ত্র সচল করা এবং ওষুধের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে জনদুর্ভোগ অনেকটা কমে আসবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।