ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সবকটি কপাট খুলে দেওয়ায় এবং উজানে ভারী বর্ষণের ফলে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে। এর ফলে লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলগুলো দ্রুত প্লাবিত হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, তিস্তা ছাড়াও সুরমা, কুশিয়ারা ও সোমেশ্বরী নদীর পানি বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উত্তরাঞ্চলের এই জেলাগুলোতে বড় ধরনের বন্যা দেখা দিতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং চরাঞ্চলের মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ করছেন।
বন্যা কবলিত এলাকার বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, প্রতি বছর ভারত থেকে আসা পানির কারণে তাঁদের ঘরবাড়ি ও ফসল তলিয়ে যায়। তাঁরা কেবল ত্রাণ নয়, বরং স্থায়ীভাবে পানির ন্যায্য হিস্যা ও দীর্ঘমেয়াদী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে।
রিপোর্টারের নাম 























