ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল মালয়েশিয়ায়। গত রবি ও সোমবার অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের বিভিন্ন মুহূর্ত নিয়ে একটি বিশেষ ভিডিও প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। ভিডিওটিতে হাবিব ওয়াহিদ ও তাজাখস্তানের জনপ্রিয় পপ গায়িকা মেহরনিগরি রুস্তামের গাওয়া ‘মহাজাদু’ গানের জনপ্রিয় লাইন ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ ব্যবহার করা হয়েছে। এই গানের ব্যবহার দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ইঙ্গিত বহন করে।
এর আগে গত সোমবার মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রাজায়ায় আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম তারেক রহমানকে ‘ভাই’ সম্বোধন করেন। একইসঙ্গে জিয়া পরিবারের সঙ্গে তার পুরনো সম্পর্কের কথাও তিনি আন্তরিকভাবে তুলে ধরেন।
গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৫৬ মিনিটে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ফেসবুক পেজে ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই ব্যাপক সাড়া ফেলে। প্রথম চার ঘণ্টার মধ্যেই ভিডিওটি এক মিলিয়নের বেশিবার দেখা হয়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রাত সোয়া ৮টা) ভিডিওটিতে প্রায় ১৩ হাজার মন্তব্য জমা পড়ে এবং ৩৬ হাজার বারের বেশি এটি শেয়ার করা হয়, যা এর জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে।
পোস্টে আনোয়ার ইব্রাহিম উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর তার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সরকারি সফর। এই সফর দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের জন্য পারস্পরিক আস্থা ও অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। সফরটি মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং উভয় দেশের মানুষের উপকার ও মঙ্গলের জন্য কৌশলগত সহযোগিতা জোরদার করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছি।”
দুই মিনিট চল্লিশ সেকেন্ডের ভিডিওটি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এতে দুই দেশের সরকারপ্রধানের বৈঠক, মধ্যাহ্নভোজ, সাংস্কৃতিক আয়োজনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরা হয়েছে। পুরো ভিডিও জুড়েই ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ গানটি ব্যবহৃত হয়েছে, যার মাঝে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের মুহূর্তও দেখানো হয়। ভিডিওটির একটি বিশেষ আকর্ষণ ছিল—নাচের মতো ভঙ্গিতে আনোয়ার ইব্রাহিমের হাততালি, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
ভিডিওতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে কথা বলতেও শোনা যায়। সেখানে তিনি এই সমস্যা সমাধানে তার আন্তরিকতা ও যৌথ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রিপোর্টারের নাম 























