ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পুশইন আতঙ্কে জামালপুর সীমান্তে গ্রামবাসীর নির্ঘুম পাহারা

সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে জামালপুরের বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবাসীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। রাত নামলেই আতঙ্ক গ্রাস করছে সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলোকে। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে লাঠিসোঁটা ও টর্চলাইট হাতে রাতভর পালাক্রমে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় যুবকরা। সীমান্তের ওপারে ভারতের মেঘালয় ও আসাম রাজ্য থেকে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কায় গ্রামবাসী এখন অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষ—যারা মূলত কৃষি ও দিনমজুরির ওপর নির্ভরশীল—তারা এখন জীবন ও জীবিকার পাশাপাশি সীমান্ত পাহারার বাড়তি দায়িত্ব পালন করছেন। দিনের বেলা কাজে থাকলেও যেকোনো উত্তেজনার খবর এলে তারা সব কাজ ফেলে সীমান্তে জড়ো হচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুশইনের আশঙ্কায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।

মোবাইল ফোন ও স্থানীয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গ্রামবাসী একে অপরের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন। যেকোনো সন্দেহজনক গতিবিধি দেখলেই মুহূর্তের মধ্যে শত শত মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সীমান্তে অবস্থান নিচ্ছেন। সীমান্ত রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এখন এই অঞ্চলের প্রধান চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাউখালীতে ভাঙা সড়কে বাঁশের সাঁকো: পাঁচ গ্রামের মানুষের চরম ভোগান্তি

পুশইন আতঙ্কে জামালপুর সীমান্তে গ্রামবাসীর নির্ঘুম পাহারা

আপডেট সময় : ০২:৫১:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে জামালপুরের বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবাসীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। রাত নামলেই আতঙ্ক গ্রাস করছে সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলোকে। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে লাঠিসোঁটা ও টর্চলাইট হাতে রাতভর পালাক্রমে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় যুবকরা। সীমান্তের ওপারে ভারতের মেঘালয় ও আসাম রাজ্য থেকে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কায় গ্রামবাসী এখন অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষ—যারা মূলত কৃষি ও দিনমজুরির ওপর নির্ভরশীল—তারা এখন জীবন ও জীবিকার পাশাপাশি সীমান্ত পাহারার বাড়তি দায়িত্ব পালন করছেন। দিনের বেলা কাজে থাকলেও যেকোনো উত্তেজনার খবর এলে তারা সব কাজ ফেলে সীমান্তে জড়ো হচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুশইনের আশঙ্কায় তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।

মোবাইল ফোন ও স্থানীয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গ্রামবাসী একে অপরের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন। যেকোনো সন্দেহজনক গতিবিধি দেখলেই মুহূর্তের মধ্যে শত শত মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সীমান্তে অবস্থান নিচ্ছেন। সীমান্ত রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এখন এই অঞ্চলের প্রধান চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।