ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সরিষাবাড়ীতে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অনন্য উদ্যোগ: গড়ে উঠেছে দৃষ্টিনন্দন ‘প্রজাপতি পার্ক’

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা ও প্রজাপতির আবাসস্থল সংরক্ষণে ব্যতিক্রমী এক ‘প্রজাপতি পার্ক’ গড়ে তুলেছেন অধ্যাপক হাসমত আলী। উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে প্রায় পাঁচ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই পার্কটি এখন জীববৈচিত্র্য প্রেমীদের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই মহতী উদ্যোগের জন্য উদ্যোক্তা হাসমত আলী জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫-এর জন্যও মনোনীত হয়েছেন।

পার্কটিতে বর্তমানে দেশীয় প্রজাতির প্রায় ৩০ ধরনের কয়েকশ প্রজাপতি রয়েছে। এছাড়া এখানে গড়ে তোলা হয়েছে ‘দ্বিজেন শর্মা উদ্ভিদ উদ্যান’, যেখানে ৬০০ প্রজাতিরও বেশি গাছপালা রয়েছে। এর মধ্যে অনেক প্রজাতিই বিলুপ্তপ্রায় বা আইইউসিএনের লাল তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। প্রজাপতিদের বংশবিস্তার ও খাবারের জন্য পার্কে বিশেষ নেটঘেরা আবাসস্থল ও পোষক উদ্ভিদ লাগানো হয়েছে।

উদ্যোক্তা হাসমত আলী জানান, প্রজাপতি কেবল প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, বরং উদ্ভিদের পরাগায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন প্রজন্মকে প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করতেই তিনি এই পার্ক এবং একটি প্রাণ-প্রকৃতি পাঠাগার স্থাপন করেছেন। এই সংরক্ষিত প্রজাপতিগুলো পর্যায়ক্রমে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হবে, যা স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বড় অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরাঞ্চলের চার জেলায় বন্যার আশঙ্কা: বিপৎসীমা ছাড়াতে পারে তিন নদীর পানি

সরিষাবাড়ীতে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অনন্য উদ্যোগ: গড়ে উঠেছে দৃষ্টিনন্দন ‘প্রজাপতি পার্ক’

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা ও প্রজাপতির আবাসস্থল সংরক্ষণে ব্যতিক্রমী এক ‘প্রজাপতি পার্ক’ গড়ে তুলেছেন অধ্যাপক হাসমত আলী। উপজেলার দৌলতপুর গ্রামে প্রায় পাঁচ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই পার্কটি এখন জীববৈচিত্র্য প্রেমীদের জন্য আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এই মহতী উদ্যোগের জন্য উদ্যোক্তা হাসমত আলী জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৫-এর জন্যও মনোনীত হয়েছেন।

পার্কটিতে বর্তমানে দেশীয় প্রজাতির প্রায় ৩০ ধরনের কয়েকশ প্রজাপতি রয়েছে। এছাড়া এখানে গড়ে তোলা হয়েছে ‘দ্বিজেন শর্মা উদ্ভিদ উদ্যান’, যেখানে ৬০০ প্রজাতিরও বেশি গাছপালা রয়েছে। এর মধ্যে অনেক প্রজাতিই বিলুপ্তপ্রায় বা আইইউসিএনের লাল তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। প্রজাপতিদের বংশবিস্তার ও খাবারের জন্য পার্কে বিশেষ নেটঘেরা আবাসস্থল ও পোষক উদ্ভিদ লাগানো হয়েছে।

উদ্যোক্তা হাসমত আলী জানান, প্রজাপতি কেবল প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, বরং উদ্ভিদের পরাগায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন প্রজন্মকে প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করতেই তিনি এই পার্ক এবং একটি প্রাণ-প্রকৃতি পাঠাগার স্থাপন করেছেন। এই সংরক্ষিত প্রজাপতিগুলো পর্যায়ক্রমে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হবে, যা স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বড় অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।