ইরানের সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েও শেষ মুহূর্তে বড় ধরনের কূটনৈতিক হোঁচট খেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর আকস্মিক হামলার পর ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের মিত্রতায় ফাটল ধরেছে। এই হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প জানিয়েছেন, একটি বিশেষ দিনে এমন ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি অনুযায়ী, হামলার পর নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপে অত্যন্ত কঠোর ভাষা ব্যবহার করেন ট্রাম্প। তিনি মনে করেন, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরানোর প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করেছে। মূলত ট্রাম্প চেয়েছিলেন আগামী নভেম্বরের নির্বাচনের আগে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করে তেলের দাম কমাতে এবং মার্কিন সেনাদের ঘরে ফিরিয়ে আনতে। অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতাকে পুরোপুরি ধ্বংস করা, যা তিনি তার রাজনৈতিক জীবনের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুই নেতার এই মতভেদ কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং তা ভূ-রাজনৈতিক কৌশলের সংঘাত। নেতানিয়াহু যেখানে ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে, ট্রাম্প সেখানে দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাইছেন। ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও দুর্নীতির মামলার চাপও নেতানিয়াহুকে এই কঠোর অবস্থানে অনড় থাকতে বাধ্য করছে।
রিপোর্টারের নাম 























