ভারতের ধারাবাহিক বাংলাদেশবিরোধী কর্মকাণ্ড, সীমান্তে নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা, নিয়মিত পুশইনের চেষ্টা, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আশ্রয়-প্রশ্রয় প্রদান এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রকাশ্য হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে বাংলাদেশ আজাদ পার্টির উদ্যোগে শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীতে একটি শান্তিপূর্ণ মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন হলের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ফেলানি এভিনিউ হয়ে ভারতীয় দূতাবাসের অভিমুখে অগ্রসর হয়। এই মিছিলে দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক দেশপ্রেমিক নাগরিক অংশগ্রহণ করেন।
মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আজাদ পার্টির সভাপতি হাসিনুর রহমান, বীর প্রতীক; এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বীর বিক্রম; জাগপার মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নেতা রাশেদ প্রধান; মেজর আক্তারুজ্জামান; ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির এবং ডাকসুর এবি যোবায়ের।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার প্রশ্নে কোনো ধরনের বিদেশি আধিপত্য বা হস্তক্ষেপ দেশের জনগণ মেনে নেবে না। তারা দেশের জনগণকে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বক্তারা আরও দৃঢ়ভাবে বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদের কবর রচনা করা হবে এবং স্বাধীন, সার্বভৌম ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
এ সময় বাংলাদেশ আজাদ পার্টির ঘোষিত ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং দেশপ্রেমিক সকল নাগরিককে ভবিষ্যতের কর্মসূচিগুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
রিপোর্টারের নাম 























