সিলেটের ওসমানীনগরে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে এলাকায় ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা চলছে। শুক্রবার দুপুরে নিজ ঘর থেকে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের পর থেকেই এ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।
নিহত ব্যক্তির নাম তুরন মিয়া (৪৬)। তিনি উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর রাইকদাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
নিহতের স্বজনদের দাবি, পূর্ববিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। গত ৬ তারিখ তুরন মিয়া প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা, মারধর এবং প্রাণনাশের আশঙ্কার অভিযোগ এনে ওসমানীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছিলেন। এ বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মীমাংসার চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়।
তবে, মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে বিকেলে পুলিশের একটি তদন্ত দল ঘটনাস্থলে গেলেও নিহতের প্রতিবেশীরা কোনো তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেননি। প্রতিবেশীরা জানান, তুরন মিয়া প্রায়শই বাড়িতে থাকতেন না এবং ৪৬ বছর বয়সেও তিনি অবিবাহিত ছিলেন। এর আগে দু’বার স্ট্রোক থেকেও তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন। ফলে তার মৃত্যু স্ট্রোকজনিত নাকি পূর্বশত্রুতার জেরে হত্যাকাণ্ড, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য এম রুম্মান আহমদ জানান, সরকারি রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে তুরন মিয়ার সঙ্গে তারই চাচাতো ভাইয়ের ঠিকাদার পক্ষের বিরোধ ছিল। ওসমানীনগর থানার ওসি মুরশেদুল আলম ভূইয়া জানিয়েছেন, হত্যা নাকি স্বাভাবিক মৃত্যু, তা নিশ্চিত হতে লাশ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত কাউকে দায়ী করা যাচ্ছে না। সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ওসমানীনগর সার্কেল) মানছুরা আক্তার জানিয়েছেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও প্রাপ্ত আলামতের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
রিপোর্টারের নাম 






















