ঢাকা ১১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পাহাড়ি ঢলে বাঁধ ভেঙে জামালপুরের বকশীগঞ্জে নিম্নাঞ্চলে পানি, ফসলহানির শঙ্কা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের পলাশতলা বাক্কার মোড় এলাকায় পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে একটি বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করছে। এতে এলাকার আউস ধান ও পাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

বুধবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির তোড়ে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে গেছে। এর ফলে দ্রুতগতিতে পানি প্রবেশ করে আশপাশের কৃষিজমি জলাবদ্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক মাস আগে ভারি বৃষ্টির কারণে বাঁধটির একটি অংশ ভেঙে গিয়েছিল। সে সময় এলাকার বোরো ধানের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ভাঙা বাঁধ মেরামতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে সাম্প্রতিক ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় কৃষক এরশাদ মিয়া জানান, “প্রায় এক মাস আগে বাঁধটি ভেঙে যায়। তখন অনেক বোরো ধান নষ্ট হয়েছে। এখন আবার পানি ঢুকছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আউস ধান ও পাটেরও ব্যাপক ক্ষতি হবে।” এলাকার কৃষকরা জানান, ভাঙা বাঁধ দ্রুত সংস্কার করা না হলে কয়েকশ একর কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে এবং চলতি মৌসুমে কৃষকদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষকরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দ্রুত বাঁধ মেরামত করে কৃষিজমি ও ফসল রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

পাহাড়ি ঢলে বাঁধ ভেঙে জামালপুরের বকশীগঞ্জে নিম্নাঞ্চলে পানি, ফসলহানির শঙ্কা

আপডেট সময় : ১১:০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়নের পলাশতলা বাক্কার মোড় এলাকায় পাহাড়ি ঢলের পানির চাপে একটি বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করছে। এতে এলাকার আউস ধান ও পাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

বুধবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির তোড়ে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে গেছে। এর ফলে দ্রুতগতিতে পানি প্রবেশ করে আশপাশের কৃষিজমি জলাবদ্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক মাস আগে ভারি বৃষ্টির কারণে বাঁধটির একটি অংশ ভেঙে গিয়েছিল। সে সময় এলাকার বোরো ধানের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ভাঙা বাঁধ মেরামতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে সাম্প্রতিক ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

স্থানীয় কৃষক এরশাদ মিয়া জানান, “প্রায় এক মাস আগে বাঁধটি ভেঙে যায়। তখন অনেক বোরো ধান নষ্ট হয়েছে। এখন আবার পানি ঢুকছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আউস ধান ও পাটেরও ব্যাপক ক্ষতি হবে।” এলাকার কৃষকরা জানান, ভাঙা বাঁধ দ্রুত সংস্কার করা না হলে কয়েকশ একর কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে এবং চলতি মৌসুমে কৃষকদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষকরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দ্রুত বাঁধ মেরামত করে কৃষিজমি ও ফসল রক্ষার দাবি জানিয়েছেন।