পঞ্চগড় সদর উপজেলার সন্ন্যাসীপাড়া গ্রামের একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের সড়ক আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি নিজেদের মালিকানাধীন জমি দাবি করে তালমা নদীর পাড় ঘেঁষা এই সড়কটির ওপর বাঁশের বেড়া ও গাছ রোপণ করে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে প্রায় দুইশ পরিবারের হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। শিক্ষার্থী, পথচারী, কৃষক এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি রাস্তার ওপর সুপারি গাছ রোপণ এবং বাঁশের বেড়া দিয়ে এই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই সড়কটি ব্যবহার করে আসছেন। সম্প্রতি নদী ভাঙনের ফলে সড়কের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে আবেদন করা হয়। পরে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নদীতীর রক্ষার কাজ শুরু হয়। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার অল্পদিনের মধ্যেই নতুন সংকট দেখা দেয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদীতীর সংরক্ষণ কাজের সময় জিও ব্যাগ ও জালি ব্যাগ ব্যবহারের ফলে রাস্তার উপরিভাগ অসমান হয়ে প্রস্থ কমে গেছে। এতে চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের মতে, স্থানীয় সুবিধাভোগী মানুষের কথামতোই কাজ করা হয়েছে এবং রাস্তা নির্মাণ বা ক্ষতি পূরণের কোনো বিষয় তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, গ্রামের মসলিম উদ্দীন, আব্দুর রশিদ, রফিকুল ইসলাম ও গোলাম মোস্তফাসহ কয়েকজন ব্যক্তি সড়কটিকে নিজেদের সম্পত্তি দাবি করে সেখানে সুপারি গাছ লাগিয়েছেন এবং বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচলের পথ সংকুচিত করে দিয়েছেন। সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা, যারা প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করে মাদ্রাসায় যাতায়াত করে।
রিপোর্টারের নাম 






















