ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

নিজস্ব জ্বালানি সন্ধানে সরকার: স্থলভাগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

সমুদ্রসীমার পর এবার দেশের স্থলভাগে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সরকারের নীতিনির্ধারকদের মতে, জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুসন্ধানে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত দুই দশক ধরে দেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র সমীক্ষা ও অনুসন্ধানে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)-এর শক্তি ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়নি। বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি না হওয়ায় জ্বালানি খাত ক্রমশ আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে, নিজস্ব অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করার মাধ্যমে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুটের বেশি, যেখানে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি মিলিয়ে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে প্রায় ২৬৫ কোটি ঘনফুটের বেশি। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ১১৫ কোটি ঘনফুটের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে, যা আবাসিক, শিল্প এবং পরিবহন খাতে গ্যাস সংকট তৈরি করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাপেক্সের মাধ্যমে অনুসন্ধান ও খনন কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি দুটি নতুন রিগ কেনার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

নিজস্ব জ্বালানি সন্ধানে সরকার: স্থলভাগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান

আপডেট সময় : ১০:৫৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সমুদ্রসীমার পর এবার দেশের স্থলভাগে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সরকারের নীতিনির্ধারকদের মতে, জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুসন্ধানে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত দুই দশক ধরে দেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র সমীক্ষা ও অনুসন্ধানে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)-এর শক্তি ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়নি। বিপুল চাহিদা থাকা সত্ত্বেও গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি না হওয়ায় জ্বালানি খাত ক্রমশ আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে, নিজস্ব অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করার মাধ্যমে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুটের বেশি, যেখানে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি মিলিয়ে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে প্রায় ২৬৫ কোটি ঘনফুটের বেশি। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ১১৫ কোটি ঘনফুটের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে, যা আবাসিক, শিল্প এবং পরিবহন খাতে গ্যাস সংকট তৈরি করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাপেক্সের মাধ্যমে অনুসন্ধান ও খনন কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি দুটি নতুন রিগ কেনার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।