চলতি বর্ষা মৌসুম অর্থাৎ জুন-জুলাই মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত এবং বেশি তাপমাত্রা থাকার কথা আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরপরও চলতি মৌসুমের উষ্ণতম মাস এপ্রিল-মে-তে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে। তবে বর্তমানে তাপপ্রবাহের কারণে ভ্যাপসা গরম বেড়েছে, যা জনজীবনে অস্বস্তি সৃষ্টি করছে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৯ সালে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩৮ শতাংশ বৃষ্টিপাত কম হয়েছিল। এছাড়া ২০১৬ সালে ৩০ শতাংশ, ২০১৩ সালে ১৬ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ১৯ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। চলতি বছরেও জুন-জুলাই মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বৃষ্টিপাত কম হলে স্বাভাবিকভাবে তাপমাত্রাও বেশি থাকে। এতে গরম বেশি থাকাটাই স্বাভাবিক। এছাড়া বাতাসের গতিবেগ কমে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় তাপমাত্রার চেয়েও ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে। তবে আগামী ২১ জুন থেকে বৃষ্টিপাত বাড়তে পারে; ওই সময় গরম কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, আগের দুই দিনের মতো বুধবারও দেশের ১২টি জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। এটি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। আগের দিনের তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে বুধবার সারাদেশে যশোরের সর্বোচ্চ ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়, যা আগের দিন একই জেলায় ছিল ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি। এদিন রাজধানীর তাপমাত্রাও কিছুটা বেড়ে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়, যা আগের দিন ছিল ৩১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
অন্যদিকে, আগের কয়েক দিনের তুলনায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে বুধবার নীলফামারীর ডিমলায় ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। তবে বুধবার রাজধানীতে কোনো বৃষ্টি হয়নি। এই অবস্থা আরও দুই-তিনদিন থাকতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























