ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

হেবরনের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইসরাইলি পরিকল্পনায় ওআইসির তীব্র উদ্বেগ

ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক হেবরন শহরের রাজনৈতিক ও আইনি মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে ইসরাইল যে নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, তাতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবনাগুলোর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

ওআইসি সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে, ইসরাইলি অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হেবরন পৌরসভার কাছ থেকে ইব্রাহিমি মসজিদ ও পুরোনো শহরসহ আশপাশের এলাকার প্রশাসনিক ও নগর পরিকল্পনার ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে শহরটির ঐতিহাসিক ও আইনি ভিত্তি দুর্বল করার চেষ্টা চালাচ্ছে ইসরাইল।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১৯৬৭ সাল থেকে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড এবং সেখানকার পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরাইলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। ইউনেস্কোর ‘বিপদাপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় থাকা হেবরনের এই অংশগুলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

এদিকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ইসরাইলের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। ওআইসি বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, হেবরনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইদহে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ: পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

হেবরনের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইসরাইলি পরিকল্পনায় ওআইসির তীব্র উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৮:০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক হেবরন শহরের রাজনৈতিক ও আইনি মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে ইসরাইল যে নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, তাতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের এ ধরনের পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবনাগুলোর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

ওআইসি সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে, ইসরাইলি অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হেবরন পৌরসভার কাছ থেকে ইব্রাহিমি মসজিদ ও পুরোনো শহরসহ আশপাশের এলাকার প্রশাসনিক ও নগর পরিকল্পনার ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে শহরটির ঐতিহাসিক ও আইনি ভিত্তি দুর্বল করার চেষ্টা চালাচ্ছে ইসরাইল।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১৯৬৭ সাল থেকে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড এবং সেখানকার পবিত্র স্থানগুলোর ওপর ইসরাইলের কোনো সার্বভৌম অধিকার নেই। ইউনেস্কোর ‘বিপদাপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় থাকা হেবরনের এই অংশগুলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।

এদিকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ইসরাইলের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। ওআইসি বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, হেবরনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।