ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগের আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর, মৎস্য খাতের উন্নয়নে জোর

দেশকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের সত্যিকার অর্থে মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, গবেষকদের প্রমাণ করতে হবে যে তাদের গবেষণা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে স্বতন্ত্র, নতুনত্বপূর্ণ এবং বাস্তব সমস্যার কার্যকর সমাধান দিতে সক্ষম। বুধবার মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) ‘মিঠাপানির মাছের মড়ক প্রতিরোধে ভ্যাকসিন উদ্ভাবন’ প্রকল্পের ইনসেপশন ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মৎস্যখাতে বিপুল সম্ভাবনা ও সুযোগ রয়েছে, আর এর উন্নয়নে গবেষণা ও উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। যারা গবেষণার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবেন, সরকার তাদের বিশেষভাবে সম্মানিত করবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে বহু গবেষণা প্রতিষ্ঠান থাকলেও এখনও গবেষণার একটি সুস্পষ্ট ও স্বতন্ত্র ধারা গড়ে ওঠেনি, যা প্রতিষ্ঠিত হওয়া প্রয়োজন।

পানির গুণগত মানকে মাছ চাষের অন্যতম প্রধান নিয়ামক হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পানিকে মাছের উপযোগী করে তুলতে পারলে মাছের রোগবালাই অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। এ লক্ষ্যে বিজ্ঞানী ও মৎস্য কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর তিনি জোর দেন। মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, কৃষিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহারসহ বিভিন্ন পরিবেশগত কারণে দেশের প্রাকৃতিক মাছের অনেক প্রজাতি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে গবেষণা, সচেতনতা এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মিঠাপানির মাছকে রোগমুক্ত ও টেকসইভাবে সংরক্ষণের লক্ষ্যে ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মড়ক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর গবেষণা পরিচালনার কোনো বিকল্প নেই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগের আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর, মৎস্য খাতের উন্নয়নে জোর

আপডেট সময় : ০৪:১১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

দেশকে এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের সত্যিকার অর্থে মৌলিক গবেষণায় আত্মনিয়োগ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, গবেষকদের প্রমাণ করতে হবে যে তাদের গবেষণা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে স্বতন্ত্র, নতুনত্বপূর্ণ এবং বাস্তব সমস্যার কার্যকর সমাধান দিতে সক্ষম। বুধবার মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) ‘মিঠাপানির মাছের মড়ক প্রতিরোধে ভ্যাকসিন উদ্ভাবন’ প্রকল্পের ইনসেপশন ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের মৎস্যখাতে বিপুল সম্ভাবনা ও সুযোগ রয়েছে, আর এর উন্নয়নে গবেষণা ও উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। যারা গবেষণার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবেন, সরকার তাদের বিশেষভাবে সম্মানিত করবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে বহু গবেষণা প্রতিষ্ঠান থাকলেও এখনও গবেষণার একটি সুস্পষ্ট ও স্বতন্ত্র ধারা গড়ে ওঠেনি, যা প্রতিষ্ঠিত হওয়া প্রয়োজন।

পানির গুণগত মানকে মাছ চাষের অন্যতম প্রধান নিয়ামক হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, পানিকে মাছের উপযোগী করে তুলতে পারলে মাছের রোগবালাই অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। এ লক্ষ্যে বিজ্ঞানী ও মৎস্য কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর তিনি জোর দেন। মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, কৃষিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহারসহ বিভিন্ন পরিবেশগত কারণে দেশের প্রাকৃতিক মাছের অনেক প্রজাতি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারে গবেষণা, সচেতনতা এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মিঠাপানির মাছকে রোগমুক্ত ও টেকসইভাবে সংরক্ষণের লক্ষ্যে ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মড়ক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর গবেষণা পরিচালনার কোনো বিকল্প নেই।