ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

ভুল চাহিদার অভিযোগে চরফ্যাশন নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষকে মাউশির শোকজ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম শাহাবুদ্দিনকে কারণ দর্শানোর নোটিস (শোকজ) জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ই-রিকুইজিশনে ‘গার্হস্থ্য অর্থনীতি’ বিষয়ে প্রভাষক পদে ভুল চাহিদা পাঠানো এবং সময়মতো তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ না করার অভিযোগে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার মাউশির কলেজ শাখা-৩ (বেসরকারি কলেজ) থেকে সহকারী পরিচালক মো. মাহিন উদ্দিন স্বাক্ষরিত নোটিসে জানানো হয়, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্য পদের চাহিদা পাঠানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম কাম্য শিক্ষার্থী থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কলেজে ডিগ্রি (পাস) পর্যায়ে ‘গার্হস্থ্য অর্থনীতি’ বিষয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না থাকা সত্ত্বেও নিয়মবহির্ভূতভাবে শিক্ষক পদের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল।

মাউশির আঞ্চলিক কার্যালয় কর্তৃক তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের সময় এই ভুল চাহিদা ধরা পড়ে। একই সঙ্গে, যাচাইয়ের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ না করার কারণে কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নোটিসে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এনটিআরসিএর ই-রিকুইজিশনে ভুল তথ্য প্রদান এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ না করার মাধ্যমে সরকারি বিধিমালা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা লঙ্ঘিত হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন ভুল চাহিদার কারণে একদিকে যেমন প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হয়, অন্যদিকে ভুল পদে কোনো প্রার্থী নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হলে পরবর্তীতে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার হন। অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, তিনি নোটিস হাতে পেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দেবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

ভুল চাহিদার অভিযোগে চরফ্যাশন নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষকে মাউশির শোকজ

আপডেট সময় : ০৪:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম শাহাবুদ্দিনকে কারণ দর্শানোর নোটিস (শোকজ) জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ই-রিকুইজিশনে ‘গার্হস্থ্য অর্থনীতি’ বিষয়ে প্রভাষক পদে ভুল চাহিদা পাঠানো এবং সময়মতো তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ না করার অভিযোগে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার মাউশির কলেজ শাখা-৩ (বেসরকারি কলেজ) থেকে সহকারী পরিচালক মো. মাহিন উদ্দিন স্বাক্ষরিত নোটিসে জানানো হয়, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের জন্য শূন্য পদের চাহিদা পাঠানোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম কাম্য শিক্ষার্থী থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম কলেজে ডিগ্রি (পাস) পর্যায়ে ‘গার্হস্থ্য অর্থনীতি’ বিষয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না থাকা সত্ত্বেও নিয়মবহির্ভূতভাবে শিক্ষক পদের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল।

মাউশির আঞ্চলিক কার্যালয় কর্তৃক তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের সময় এই ভুল চাহিদা ধরা পড়ে। একই সঙ্গে, যাচাইয়ের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ না করার কারণে কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নোটিসে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, এনটিআরসিএর ই-রিকুইজিশনে ভুল তথ্য প্রদান এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ না করার মাধ্যমে সরকারি বিধিমালা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা লঙ্ঘিত হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন ভুল চাহিদার কারণে একদিকে যেমন প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হয়, অন্যদিকে ভুল পদে কোনো প্রার্থী নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হলে পরবর্তীতে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার হন। অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, তিনি নোটিস হাতে পেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দেবেন।