ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে আগুনে দগ্ধ একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে একটি বাসায় আগুনের ঘটনায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক দিনে তিন জনের মৃত্যুসহ একই পরিবারের চার জনই মারা গেছেন। গত ১১ জুন ভোরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

সোমবার (১৫ জুন) ভোরে আলী আহমেদ মান্নান (৫০), সকাল পোনে ১০ টায় মো. সায়েম (১৯), ও মিম (১৩) রাত পোনে ১১ টায় মারা যান। এর আগে গত ১২ জুন দুপুর দেড় টায় মারা গেছেন সুলতানা (৩৫)। মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান।

শাওন বিন রহমান জানান, গত ১১ জুন ভোরে নারায়ণগঞ্জ মদনপুরের একটি বাসায় আগুনের ঘটনায় একই পরিবারের চার জন সহ মোট ছয় জন দগ্ধ হন। তাদের কে ভোরে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়। এদের মধ্যে হযরত আলী নামে এক শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই পরিবারের চার জন চিকিৎসাধীন ছিলেন। দগ্ধ সকলের অবস্থাই ছিল আশঙ্কাজনক। দগ্ধদের মধ্যে আলী আহমেদ মান্নানের শরীরের ৩৫ শতাংশ, সুলতানার ৯০ শতাংশ, সায়েমের ৭৭ শতাংশ এবং মিমি এর ৪১ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শিরোপা ধরে রাখার পথে কারা হতে পারেন মূল তারকা?

নারায়ণগঞ্জে আগুনে দগ্ধ একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে একটি বাসায় আগুনের ঘটনায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক দিনে তিন জনের মৃত্যুসহ একই পরিবারের চার জনই মারা গেছেন। গত ১১ জুন ভোরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

সোমবার (১৫ জুন) ভোরে আলী আহমেদ মান্নান (৫০), সকাল পোনে ১০ টায় মো. সায়েম (১৯), ও মিম (১৩) রাত পোনে ১১ টায় মারা যান। এর আগে গত ১২ জুন দুপুর দেড় টায় মারা গেছেন সুলতানা (৩৫)। মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান।

শাওন বিন রহমান জানান, গত ১১ জুন ভোরে নারায়ণগঞ্জ মদনপুরের একটি বাসায় আগুনের ঘটনায় একই পরিবারের চার জন সহ মোট ছয় জন দগ্ধ হন। তাদের কে ভোরে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা হয়। এদের মধ্যে হযরত আলী নামে এক শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই পরিবারের চার জন চিকিৎসাধীন ছিলেন। দগ্ধ সকলের অবস্থাই ছিল আশঙ্কাজনক। দগ্ধদের মধ্যে আলী আহমেদ মান্নানের শরীরের ৩৫ শতাংশ, সুলতানার ৯০ শতাংশ, সায়েমের ৭৭ শতাংশ এবং মিমি এর ৪১ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলায়।