ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা: টোল ছাড়াই চলবে জাহাজ, শর্ত সাপেক্ষে মিলবে পুনর্গঠন তহবিল

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শান্তি চুক্তির আওতায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে কোনো প্রকার টোল দিতে হবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষর করা এই সমঝোতা স্মারকের অধীনে তেহরানকে কোনো অর্থনৈতিক সুবিধা দেওয়ার আগে সব প্রতিশ্রুতি পূরণের শর্ত দেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে মার্কিন প্রশাসন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান পুনর্গঠনের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি সম্ভাব্য তহবিল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে এই বিশাল অর্থ ছাড় করার বিষয়টি নির্ভর করবে ইরান কতটুকু চুক্তি বাস্তবায়ন করছে তার ওপর। গত রোববার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ ইলেকট্রনিকভাবে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই চুক্তিটিকে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো জটিল বিষয়গুলো পরবর্তী আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে। এছাড়া ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত ধ্বংস ও আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশের বিষয়েও আলোচনা চলছে। চলতি সপ্তাহে জেনেভায় বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিস্তারিত চূড়ান্ত করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশু রামিসা হত্যায় দণ্ডপ্রাপ্তদের পক্ষে শুনানির জন্য রাষ্ট্রীয় আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা: টোল ছাড়াই চলবে জাহাজ, শর্ত সাপেক্ষে মিলবে পুনর্গঠন তহবিল

আপডেট সময় : ১২:০৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শান্তি চুক্তির আওতায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে কোনো প্রকার টোল দিতে হবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষর করা এই সমঝোতা স্মারকের অধীনে তেহরানকে কোনো অর্থনৈতিক সুবিধা দেওয়ার আগে সব প্রতিশ্রুতি পূরণের শর্ত দেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে মার্কিন প্রশাসন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান পুনর্গঠনের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি সম্ভাব্য তহবিল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে এই বিশাল অর্থ ছাড় করার বিষয়টি নির্ভর করবে ইরান কতটুকু চুক্তি বাস্তবায়ন করছে তার ওপর। গত রোববার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ ইলেকট্রনিকভাবে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই চুক্তিটিকে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো জটিল বিষয়গুলো পরবর্তী আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে। এছাড়া ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত ধ্বংস ও আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশের বিষয়েও আলোচনা চলছে। চলতি সপ্তাহে জেনেভায় বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিস্তারিত চূড়ান্ত করা হবে।