ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

পারস্য উপসাগরে আটকা পড়া হাজারো নাবিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ

পারস্য উপসাগরে গত চার মাস ধরে প্রায় ২২ হাজার নাবিক চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সামুদ্রিক উত্তেজনার কারণে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর হামলা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ইরানি মার্চেন্ট মেরিনার্স সিন্ডিকেটের প্রধান সামান রেজায়েই জানিয়েছেন, রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ যাই হোক না কেন, বর্তমানে প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত সকল নাবিকের নিরাপদ প্রস্থান নিশ্চিত করা।

দীর্ঘদিন অবরোধ ও উত্তেজনার মধ্যে থাকায় নাবিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা চরম মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এই সংকটের ফলে কেবল আর্থিক ক্ষতিই হয়নি, বরং প্রাণহানি ও নিখোঁজ হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

আগামী জুন মাসে একটি আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই সংকট নিরসনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। এরপর ইরান সাগরে মাইন অপসারণের কাজ শুরু করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে বড় বাণিজ্যিক জাহাজগুলো পুনরায় চলাচলের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। পূর্ণ আস্থা ফিরে আসতে এবং বীমা খরচ স্বাভাবিক হতে কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশু রামিসা হত্যায় দণ্ডপ্রাপ্তদের পক্ষে শুনানির জন্য রাষ্ট্রীয় আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের

পারস্য উপসাগরে আটকা পড়া হাজারো নাবিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় : ১২:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

পারস্য উপসাগরে গত চার মাস ধরে প্রায় ২২ হাজার নাবিক চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সামুদ্রিক উত্তেজনার কারণে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর হামলা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ইরানি মার্চেন্ট মেরিনার্স সিন্ডিকেটের প্রধান সামান রেজায়েই জানিয়েছেন, রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ যাই হোক না কেন, বর্তমানে প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত সকল নাবিকের নিরাপদ প্রস্থান নিশ্চিত করা।

দীর্ঘদিন অবরোধ ও উত্তেজনার মধ্যে থাকায় নাবিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা চরম মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এই সংকটের ফলে কেবল আর্থিক ক্ষতিই হয়নি, বরং প্রাণহানি ও নিখোঁজ হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

আগামী জুন মাসে একটি আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে এই সংকট নিরসনের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। এরপর ইরান সাগরে মাইন অপসারণের কাজ শুরু করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে বড় বাণিজ্যিক জাহাজগুলো পুনরায় চলাচলের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। পূর্ণ আস্থা ফিরে আসতে এবং বীমা খরচ স্বাভাবিক হতে কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে।