ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ইরানকে নগদ অর্থ দেওয়ার গুঞ্জন প্রত্যাখ্যান ট্রাম্প প্রশাসনের

ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের বিনিময়ে ট্রাম্প প্রশাসন নগদ অর্থ প্রদান করছে—এমন তথ্যের ব্যাপারে মার্কিন কর্মকর্তারা এটিকে ‘ভুল তথ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সম্প্রতি একাধিক সাক্ষাৎকারে জোর দিয়ে বলেছেন যে, সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের জন্য ইরানকে কোনো নিষেধাজ্ঞা মওকুফ করা হয়নি।

একইসাথে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে লিখেছেন, ‘ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না—এই বিষয়ে তারা সম্মত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইরানকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা।’ তিনি এমন দাবিকে ডেমোক্র্যাটদের প্রচারণা বলে আখ্যা দিয়েছেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের জন্য যেকোনো সুবিধা নির্ভর করবে তাদের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের উপর। অর্থাৎ, নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ এবং জব্দকৃত সম্পদ ফেরত দেওয়ার মতো পদক্ষেপগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া হবে না।

কর্মকর্তারা আরও জানান, আগামী ১৯ জুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সাথে সাথেই এসব সুবিধা কার্যকর হবে না। বরং পরবর্তী ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমা শেষে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হলে তবেই ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দ সম্পদ ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। হোয়াইট হাউস আশা করছে, এই ৬০ দিনের আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি চুক্তি সম্পাদিত হবে যা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির উপর দীর্ঘমেয়াদী নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘গোপন বৈঠক নয়’, অমিত শাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে মুখ খুলল বিজিবি

ইরানকে নগদ অর্থ দেওয়ার গুঞ্জন প্রত্যাখ্যান ট্রাম্প প্রশাসনের

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের বিনিময়ে ট্রাম্প প্রশাসন নগদ অর্থ প্রদান করছে—এমন তথ্যের ব্যাপারে মার্কিন কর্মকর্তারা এটিকে ‘ভুল তথ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সম্প্রতি একাধিক সাক্ষাৎকারে জোর দিয়ে বলেছেন যে, সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের জন্য ইরানকে কোনো নিষেধাজ্ঞা মওকুফ করা হয়নি।

একইসাথে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে লিখেছেন, ‘ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করবে না—এই বিষয়ে তারা সম্মত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইরানকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা।’ তিনি এমন দাবিকে ডেমোক্র্যাটদের প্রচারণা বলে আখ্যা দিয়েছেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের জন্য যেকোনো সুবিধা নির্ভর করবে তাদের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের উপর। অর্থাৎ, নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ এবং জব্দকৃত সম্পদ ফেরত দেওয়ার মতো পদক্ষেপগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া হবে না।

কর্মকর্তারা আরও জানান, আগামী ১৯ জুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সাথে সাথেই এসব সুবিধা কার্যকর হবে না। বরং পরবর্তী ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমা শেষে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হলে তবেই ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দ সম্পদ ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। হোয়াইট হাউস আশা করছে, এই ৬০ দিনের আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি চুক্তি সম্পাদিত হবে যা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির উপর দীর্ঘমেয়াদী নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করবে।