ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

১২ কোটি টাকার খাস জমি দখলের অভিযোগ: ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেড বাবু)-এর বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি দখল এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। নীলফামারী জেলা প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান স্বাক্ষরিত গত ১০ জুনের এক অফিস আদেশে এই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। কমিটিকে সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা, সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মতামতসহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। পাঁচ সদস্যের এই কমিটিতে নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আহ্বায়ক এবং রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও, কিশোরগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি), থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১ জুন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সুস্পষ্ট মতামতসহ একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতেই জেলা প্রশাসন কর্তৃক এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো। উল্লেখ্য, গত ২৩ মে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় ‘ইউপি চেয়ারম্যানের দখলে ১২ কোটি টাকার খাস জমি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, যার সূত্র ধরে প্রশাসনের এই পদক্ষেপ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জাগঞ্জে লাম্পি স্কিন রোগে শতাধিক বাছুরের মৃত্যু, খামারিরা উদ্বিগ্ন

১২ কোটি টাকার খাস জমি দখলের অভিযোগ: ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

আপডেট সময় : ০১:৩৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (গ্রেনেড বাবু)-এর বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকার সরকারি খাস জমি দখল এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। নীলফামারী জেলা প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান স্বাক্ষরিত গত ১০ জুনের এক অফিস আদেশে এই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। কমিটিকে সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা, সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মতামতসহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। পাঁচ সদস্যের এই কমিটিতে নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আহ্বায়ক এবং রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও, কিশোরগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি), থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১ জুন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই অভিযোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সুস্পষ্ট মতামতসহ একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতেই জেলা প্রশাসন কর্তৃক এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো। উল্লেখ্য, গত ২৩ মে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় ‘ইউপি চেয়ারম্যানের দখলে ১২ কোটি টাকার খাস জমি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, যার সূত্র ধরে প্রশাসনের এই পদক্ষেপ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।