ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

হত্যাকাণ্ডে ইন্ধনদাতাদের ছাড় নেই, অন্যদের আত্মশুদ্ধির সুযোগ আছে: মাহমুদুর রহমান

আমার দেশ সম্পাদক ও ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, গণমাধ্যমে ফ্যাসিবাদকে যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে মূল ধারায় ফেরার সুযোগ থাকলেও, যারা হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করেছেন বা ইন্ধন জুগিয়েছেন, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং তাদের ফৌজদারি আইনে বিচার করতে হবে।

সোমবার রাজধানীর তথ্য ভবনের ডিএফপি সম্মেলন কক্ষে ‘ফ্যাসিবাদ মোকাবিলায় মিডিয়ার ব্যর্থতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৬ জুন বাকশালী শাসনামলে সংবাদপত্র বন্ধের কালো দিবস উপলক্ষে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এনইসির যুগ্ম আহ্বায়ক ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং যুগান্তর সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদারের পরিচালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

মাহমুদুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস একনায়কতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের ইতিহাস, যা সংবাদপত্র দলনের সঙ্গে জড়িত। স্বাধীনতার পর থেকেই এই ধারা চলে আসছে এবং ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন সংবাদপত্র বন্ধের মাধ্যমে এই কালো দিবসটির সূচনা হয়েছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শেখ রেহানার কন্যা ও ইংল্যান্ডের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপের একটি মন্তব্যের জেরে ২০১৭ সালে তার বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলা দায়ের হয়েছিল। তিনি বলেন, গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রের প্রতি অসহিষ্ণুতা শেখ পরিবারের মধ্যে জন্মগতভাবেই রয়েছে, যা শেখ মুজিবুর রহমান থেকে শুরু করে তাঁর কন্যা শেখ হাসিনা এবং নাতনি টিউলিপ পর্যন্ত বিস্তৃত। এই ধরনের অসহিষ্ণুতার কারণেই তিনি বারবার মামলার শিকার হয়েছেন এবং কুষ্টিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন বাজেটের প্রভাব পড়েনি নিত্যপণ্যের দামে, বাজারে সরবরাহ সন্তোষজনক

হত্যাকাণ্ডে ইন্ধনদাতাদের ছাড় নেই, অন্যদের আত্মশুদ্ধির সুযোগ আছে: মাহমুদুর রহমান

আপডেট সময় : ০৮:০৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

আমার দেশ সম্পাদক ও ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, গণমাধ্যমে ফ্যাসিবাদকে যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে মূল ধারায় ফেরার সুযোগ থাকলেও, যারা হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করেছেন বা ইন্ধন জুগিয়েছেন, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং তাদের ফৌজদারি আইনে বিচার করতে হবে।

সোমবার রাজধানীর তথ্য ভবনের ডিএফপি সম্মেলন কক্ষে ‘ফ্যাসিবাদ মোকাবিলায় মিডিয়ার ব্যর্থতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৬ জুন বাকশালী শাসনামলে সংবাদপত্র বন্ধের কালো দিবস উপলক্ষে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এনইসির যুগ্ম আহ্বায়ক ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং যুগান্তর সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদারের পরিচালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

মাহমুদুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস একনায়কতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের ইতিহাস, যা সংবাদপত্র দলনের সঙ্গে জড়িত। স্বাধীনতার পর থেকেই এই ধারা চলে আসছে এবং ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন সংবাদপত্র বন্ধের মাধ্যমে এই কালো দিবসটির সূচনা হয়েছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শেখ রেহানার কন্যা ও ইংল্যান্ডের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপের একটি মন্তব্যের জেরে ২০১৭ সালে তার বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলা দায়ের হয়েছিল। তিনি বলেন, গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রের প্রতি অসহিষ্ণুতা শেখ পরিবারের মধ্যে জন্মগতভাবেই রয়েছে, যা শেখ মুজিবুর রহমান থেকে শুরু করে তাঁর কন্যা শেখ হাসিনা এবং নাতনি টিউলিপ পর্যন্ত বিস্তৃত। এই ধরনের অসহিষ্ণুতার কারণেই তিনি বারবার মামলার শিকার হয়েছেন এবং কুষ্টিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।