ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

লোনের স্ট্যাম্প চুরির ঘটনা দেখে ফেলায় চট্টগ্রামে মা-মেয়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় লোনের স্ট্যাম্প চুরির চেষ্টা দেখে ফেলায় এক মা ও মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার সকালে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মাসুদ আলম। তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে লোনের স্ট্যাম্প চুরির ঘটনাটিই মূল কারণ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে এবং এ পর্যন্ত অন্য কোনো উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, পুলিশ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

পুলিশের ভাষ্যমতে, নিহত এ্যানি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া পেশায় একজন সিকিউরিটি গার্ড। অভিযুক্ত তেজু বড়ুয়া তাদের পূর্বপরিচিত। কিছুদিন পূর্বে তেজু বড়ুয়া একটি সিএনজি অটোরিকশা কেনার উদ্দেশ্যে সুজন বড়ুয়ার কাছ থেকে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা লোন নেয়, যার বিনিময়ে লাভ দেওয়ার শর্তে একটি স্ট্যাম্পে সই করা হয়েছিল। এই স্ট্যাম্পটি সুজনের স্ত্রী এ্যানি বড়ুয়ার কাছেই সংরক্ষিত ছিল। শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে তেজু বড়ুয়া ওই স্ট্যাম্পটি চুরি করার উদ্দেশ্যে সুজনের ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় এ্যানি বড়ুয়া তাকে দেখে ফেলায় তেজু বড়ুয়া তাকে ছুরিকাঘাত করে। এ্যানীর আর্তনাদ শুনে পাশের ঘর থেকে তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া এবং পাঁচ বছর বয়সী ছেলে পিয়াস বড়ুয়া ছুটে আসে। অভিযুক্ত তেজু বড়ুয়া তাদেরও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এ্যানী বড়ুয়া ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এভারেস্ট জয়ী নুরুননাহার নিম্নিকে পূবালী ব্যাংকের সংবর্ধনা

লোনের স্ট্যাম্প চুরির ঘটনা দেখে ফেলায় চট্টগ্রামে মা-মেয়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:১৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় লোনের স্ট্যাম্প চুরির চেষ্টা দেখে ফেলায় এক মা ও মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার সকালে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মাসুদ আলম। তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে লোনের স্ট্যাম্প চুরির ঘটনাটিই মূল কারণ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে এবং এ পর্যন্ত অন্য কোনো উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, পুলিশ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

পুলিশের ভাষ্যমতে, নিহত এ্যানি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া পেশায় একজন সিকিউরিটি গার্ড। অভিযুক্ত তেজু বড়ুয়া তাদের পূর্বপরিচিত। কিছুদিন পূর্বে তেজু বড়ুয়া একটি সিএনজি অটোরিকশা কেনার উদ্দেশ্যে সুজন বড়ুয়ার কাছ থেকে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা লোন নেয়, যার বিনিময়ে লাভ দেওয়ার শর্তে একটি স্ট্যাম্পে সই করা হয়েছিল। এই স্ট্যাম্পটি সুজনের স্ত্রী এ্যানি বড়ুয়ার কাছেই সংরক্ষিত ছিল। শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে তেজু বড়ুয়া ওই স্ট্যাম্পটি চুরি করার উদ্দেশ্যে সুজনের ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় এ্যানি বড়ুয়া তাকে দেখে ফেলায় তেজু বড়ুয়া তাকে ছুরিকাঘাত করে। এ্যানীর আর্তনাদ শুনে পাশের ঘর থেকে তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া এবং পাঁচ বছর বয়সী ছেলে পিয়াস বড়ুয়া ছুটে আসে। অভিযুক্ত তেজু বড়ুয়া তাদেরও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক এ্যানী বড়ুয়া ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।