সারা দেশে পাবলিক পরীক্ষায় স্থায়ী কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রবিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে তিনি জানান, সারা দেশে পৃথক বা স্থায়ী পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি সমীক্ষা প্রস্তাব অনুমোদনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই সমীক্ষা সম্পন্ন হলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা, ভৌগলিক অবস্থান, বিদ্যমান অবকাঠামোর প্রাপ্যতা, জমির প্রাপ্যতা এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় উপজেলা, জেলা বা আঞ্চলিক পর্যায়ে স্বতন্ত্র পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
রবিবার ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান যে, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন আবাসিক হল নির্মাণ, আসন সংখ্যা বৃদ্ধি এবং আসন ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নতুন আবাসিক হল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এখতিয়ারাধীন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব বিকাশের স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অবশিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নির্বাচন আয়োজনে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বায়ত্তশাসনের কারণে আগামী এক বছরের মধ্যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকারের বাধ্যতামূলক নির্দেশনা প্রদানের সুযোগ নেই।
শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন ও বদ্ধপরিকর। ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















