কাতার বিশ্বকাপে ‘এফ’ গ্রুপে নিজেদের মিশন শুরু করতে যাচ্ছে নেদারল্যান্ডস ও জাপান। এই দুই দলের মধ্যে বিশ্বকাপে এটি দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। এর আগে ২০১০ সালের আসরে একবার মুখোমুখি হয়েছিল তারা, যেখানে নেদারল্যান্ডস ১-০ গোলে জয়লাভ করেছিল। শুধু বিশ্বকাপের ইতিহাসেই নয়, সামগ্রিকভাবে জাপানের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডস এখনো অপরাজিত। এ পর্যন্ত তিনবার মুখোমুখি হয়ে দুটিতে জয় এবং একটিতে ড্র করেছে ডাচরা। এবারের বিশ্বকাপেও তারা নিজেদের এই ঐতিহাসিক ধারা অব্যাহত রাখতে আগ্রহী।
তবে, জাপানের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনা করলে ইতিহাস বদলানোর সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৮তম স্থানে থাকা জাপানের কোচ হাজিমে মরিয়াসুর দল টানা ছয়টি ফিফা প্রীতি ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপে এসেছে। তারা ব্রাজিল ও ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলকেও পরাজিত করার নজির গড়েছে। এএফসি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তারা সর্বোচ্চ ৫৪ গোল করার রেকর্ড গড়েছে এবং মাত্র তিনবার গোল হজম করেছে। গত ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে জার্মানি ও স্পেনকে হারিয়ে তারা পরবর্তী রাউন্ডে উন্নীত হয়েছিল। এসব অর্জন জাপানের শক্তিধর দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের ইঙ্গিত দেয়। তাই, প্রথম ম্যাচেই জাপান যদি নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে দেয়, তবে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
অন্যদিকে, ১২তম বিশ্বকাপ খেলতে আসা নেদারল্যান্ডস তিনবার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জিততে পারেনি। জাপানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে থাকা নেদারল্যান্ডসকে অবশ্য ফেভারিট হিসেবেই ধরা হচ্ছে। ১৯৯৪ সাল থেকে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নেদারল্যান্ডস ১৬ ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে। সাবেক অধিনায়ক রোনাল্ড কোম্যানের কোচিংয়ে ডাচরা এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে নিজেদের অপরাজিত থাকার রেকর্ড ধরে রাখার ব্যাপারে আশাবাদী।
জাপান ম্যাচের আগে নেদারল্যান্ডসের জন্য একটি দুঃসংবাদ হলো গোলরক্ষক বার্ট ভেরব্রুখেনের হিপ ইনজুরি। কোম্যানের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক ছিলেন তিনি। এখন বিকল্প হিসেবে রবিন রোফের উপর ভরসা রাখতে হচ্ছে। দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেমফিস ডিপাই বাছাই পর্বে ১২ গোল করে প্রত্যাশা বাড়িয়েছেন, এবং ড্যানিয়েল মালেনের দুর্দান্ত ফর্মও ডাচদের ম্যাচে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। তবে, জাপানের দলও অধিনায়ক সম্পর্কে কিছু অনিশ্চয়তায় ভুগছে, যা তাদের জন্য কিছুটা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 

























