ফিফা বিশ্বকাপের ‘ই’ গ্রুপের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ টেক্সাসের এনআরজি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি এবং মাত্র দেড় লাখ জনসংখ্যার ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র কুরাসাও। এটি দুই দলের মধ্যে প্রথম দ্বিপক্ষীয় লড়াই এবং ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এক রূপকথার ‘ডেভিড বনাম গোলিয়াথ’ লড়াই হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জার্মানি, যারা গত দুটি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল, এবার সম্পূর্ণ নতুনভাবে মিশন শুরু করতে প্রস্তুত। কোচ জুলিয়ান নাগেলসম্যানের শিষ্যরা এবারের বিশ্বকাপে আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত ও ক্ষুরধার বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্বকাপে পা রাখার আগে টানা ৯টি ম্যাচে জয়ের রেকর্ড তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সর্বশেষ প্রস্তুতি ম্যাচে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় তাদের এই আত্মবিশ্বাস আরও দৃঢ় করেছে। সার্জ নাব্রি ও লেনার্ট কার্লের ইনজুরি কিছুটা ধাক্কা হলেও, জামাল মুসিয়ালা এবং ফ্লোরিয়ান উইর্টজের মতো তরুণ মিডফিল্ডাররা যেকোনো রক্ষণভাগ ভেদ করতে সক্ষম। বিশেষ করে ২৩ বছর বয়সী বায়ার্ন মিউনিখ তারকা মুসিয়ালার জাদুকরী ড্রিবলিং কুরাসাওয়ের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
ম্যাচটি সামনে রেখে জার্মানির কোচ নাগেলসম্যান সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। তিনি প্রতিপক্ষকে সমীহের দৃষ্টিতে দেখছেন এবং বলেছেন, ‘আমরা কুরাসাওকে মোটেও অবমূল্যায়ন করছি না। বিশ্বমঞ্চে প্রত্যেক প্রতিপক্ষই বিপজ্জনক। তাছাড়া এই গ্রুপে আইভরি কোস্ট বা ইকুয়েডরের মতো কঠিন দলও রয়েছে।’
অন্যদিকে, কুরাসাওয়ের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় চমক। কনকাকাফ অঞ্চলের বাছাই পর্বে অপরাজিত থেকে ইতিহাস গড়া এই দলটির কোচ অভিজ্ঞ ডাচ কোচ ডিক অ্যাডভোকেট। শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে তারা অরুবাকে ৪-০ গোলে হারিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে যে তারা শুধু অংশ নিতে নয়, লড়তেও এসেছে। ইউরোপের বিভিন্ন লিগে খেলা ফুটবলারদের নিয়ে গড়া কুরাসাও দলে কোনো ইনজুরির সমস্যা নেই, ফলে তারা পূর্ণ শক্তির একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারবে। দলটির মূল চালিকাশক্তি ৩৪ বছর বয়সী অভিজ্ঞ অধিনায়ক লিয়ান্দ্রো বাকুনা, যিনি মাঝমাঠ থেকে কাউন্টার অ্যাটাক তৈরি এবং সেট পিসগুলোতে নেতৃত্ব দেবেন।
রিপোর্টারের নাম 

























