অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং আশ্রয়প্রার্থীদের ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজাতে ‘ইউরোপীয় অভিবাসন ও আশ্রয় চুক্তি’ কার্যকর করতে শুরু করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। দীর্ঘ কয়েক বছরের জটিল ও কঠোর আলোচনার পর জোটের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের জন্য এই অভিন্ন নিয়ম চালু করা হলো। আগের অভিবাসন ব্যবস্থাটি অকার্যকর প্রমাণিত হওয়ায় এবং বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই নতুন ও কঠোর নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
নতুন এই চুক্তির অধীনে ইউরোপে প্রবেশের আগে যেকোনো বিদেশি নাগরিককে সীমান্তে সাত দিনের বিশেষ স্ক্রিনিং বা যাচাই-বাছাইয়ের মুখোমুখি হতে হবে। যারা নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত হবেন কিংবা ইইউ ঘোষিত নিরাপদ দেশ থেকে আসবেন, তাদের আবেদনের প্রক্রিয়াটি দ্রুততম সময়ে অর্থাৎ তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। আবেদন প্রত্যাখ্যান হলে তারা মাত্র একবার আপিল করার সুযোগ পাবেন এবং তাদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।
ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, এই নিয়ম বাস্তবায়নের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের আইন সংশোধন ও সীমান্ত অবকাঠামো শক্তিশালী করতে হবে। প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের তথ্য নিবন্ধনের জন্য ‘ইউরোড্যাক’ নামক একটি বায়োমেট্রিক ডাটাবেজ তৈরির কাজও চলমান রয়েছে। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো ২৭টি দেশের ভিন্ন ভিন্ন কার্যপদ্ধতিকে একটি একক ও সুশৃঙ্খল নিয়মে রূপান্তর করা।
রিপোর্টারের নাম 




















