ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধের দাবিতে ফেনীতে জামায়াত-ঐক্যজোটের বিক্ষোভ

ভারত কর্তৃক সীমান্তে পুশইন এবং বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যার প্রতিবাদে ফেনীতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, বিগত নতজানু সরকারের আমলে ভারত নির্বিচারে সীমান্তে মানুষ হত্যা করেছে, কিন্তু সেই সরকারের প্রতিবাদের সাহস ছিল না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ভারতের আগ্রাসন কিছুটা বন্ধ হলেও বর্তমান সরকারের উদাসীনতার সুযোগে সীমান্ত হত্যা ও পুশইন অব্যাহত রেখেছে বিএসএফ। বক্তারা অবিলম্বে এই আগ্রাসন বন্ধের দাবি জানান এবং অন্যথায় বাংলাদেশের বিশ কোটি মানুষ সমুচিত জবাব দিতে প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

বক্তারা আরও বলেন, বিগত সরকারের সময় যেমন কোনো ব্যাংক লুটপাট হয়নি, তেমনি এখনো হচ্ছে না। অথচ এখন ইসলামী ব্যাংকগুলো পরিকল্পিতভাবে লুটপাটের মাধ্যমে ধ্বংস করার পাঁয়তারা চলছে। সম্প্রতি নিখোঁজ হওয়া শিবির নেতাকে অবিলম্বে উদ্ধার এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ওপর থেকে সরকারের দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান তারা। অন্যথায় এর পরিণাম ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করেন বক্তারা।

সমাবেশ শেষে সীমান্তে বিএসএফের পুশইন ও হত্যার প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনার চত্বরে এসে শেষ হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে মিরাজকে রেখেই বাংলাদেশের অপরিবর্তিত দল ঘোষণা

সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধের দাবিতে ফেনীতে জামায়াত-ঐক্যজোটের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৯:২৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

ভারত কর্তৃক সীমান্তে পুশইন এবং বাংলাদেশী নাগরিকদের হত্যার প্রতিবাদে ফেনীতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, বিগত নতজানু সরকারের আমলে ভারত নির্বিচারে সীমান্তে মানুষ হত্যা করেছে, কিন্তু সেই সরকারের প্রতিবাদের সাহস ছিল না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ভারতের আগ্রাসন কিছুটা বন্ধ হলেও বর্তমান সরকারের উদাসীনতার সুযোগে সীমান্ত হত্যা ও পুশইন অব্যাহত রেখেছে বিএসএফ। বক্তারা অবিলম্বে এই আগ্রাসন বন্ধের দাবি জানান এবং অন্যথায় বাংলাদেশের বিশ কোটি মানুষ সমুচিত জবাব দিতে প্রস্তুত বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

বক্তারা আরও বলেন, বিগত সরকারের সময় যেমন কোনো ব্যাংক লুটপাট হয়নি, তেমনি এখনো হচ্ছে না। অথচ এখন ইসলামী ব্যাংকগুলো পরিকল্পিতভাবে লুটপাটের মাধ্যমে ধ্বংস করার পাঁয়তারা চলছে। সম্প্রতি নিখোঁজ হওয়া শিবির নেতাকে অবিলম্বে উদ্ধার এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ওপর থেকে সরকারের দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান তারা। অন্যথায় এর পরিণাম ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করেন বক্তারা।

সমাবেশ শেষে সীমান্তে বিএসএফের পুশইন ও হত্যার প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনার চত্বরে এসে শেষ হয়।