ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত (২০২৬-২৭) অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার কোনো ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেন, এ বিষয়ে জনমনে একটি ভুল-বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এনবিআর চেয়ারম্যান আরও জানান, কালো টাকা সাদা করা নয়, বরং সম্পত্তি লেনদেনে প্রকৃত মূল্য ঘোষণার মাধ্যমে কর-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের একটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান ব্যাখ্যা করেন, গত অর্থবছরে জমি বিক্রেতাদের জন্য একটি বিশেষ বিধান করা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে জমি প্রকৃত মূল্যে বিক্রি হলেও কম দামে নিবন্ধন করা হয়। এতে বিক্রেতারা প্রকৃত বিক্রয়মূল্যের অতিরিক্ত অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জটিলতায় পড়েন। এ অবস্থায় ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেনের প্রমাণ এবং বায়নানামা উপস্থাপন করতে পারলে তারা নিয়মিত হারে মূলধনি মুনাফার ওপর কর পরিশোধ করে সেই অর্থ বৈধ করার সুযোগ পান। এবারের প্রস্তাবনাও সেই ধারাবাহিকতায় কর-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের একটি উদ্যোগ, কালো টাকা বৈধকরণের সুযোগ নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় ২৩১ মাদক গডফাদারের নিয়ন্ত্রণে শতাধিক স্পট, উদ্বেগ বাড়ছে

বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

আপডেট সময় : ০৬:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত (২০২৬-২৭) অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার কোনো ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেন, এ বিষয়ে জনমনে একটি ভুল-বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এনবিআর চেয়ারম্যান আরও জানান, কালো টাকা সাদা করা নয়, বরং সম্পত্তি লেনদেনে প্রকৃত মূল্য ঘোষণার মাধ্যমে কর-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের একটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান ব্যাখ্যা করেন, গত অর্থবছরে জমি বিক্রেতাদের জন্য একটি বিশেষ বিধান করা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে জমি প্রকৃত মূল্যে বিক্রি হলেও কম দামে নিবন্ধন করা হয়। এতে বিক্রেতারা প্রকৃত বিক্রয়মূল্যের অতিরিক্ত অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জটিলতায় পড়েন। এ অবস্থায় ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেনের প্রমাণ এবং বায়নানামা উপস্থাপন করতে পারলে তারা নিয়মিত হারে মূলধনি মুনাফার ওপর কর পরিশোধ করে সেই অর্থ বৈধ করার সুযোগ পান। এবারের প্রস্তাবনাও সেই ধারাবাহিকতায় কর-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের একটি উদ্যোগ, কালো টাকা বৈধকরণের সুযোগ নয়।