ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

চমকপ্রদ বাজেট, তবে বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘আশাবাদে ভারাক্রান্ত’ বলে আখ্যায়িত করেছে এবং এর বাস্তবায়ন নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছে। দলটির যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বাজেটে যে পরিমাণ আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে, তা বর্তমান বাস্তবতায় পূরণ করা কঠিন হবে। তবে, বাজেটটি সুলিখিত এবং এতে ‘সমাজ-সংস্কৃতির বুনন’, ‘অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন’, ‘জনমিতিকি লভ্যাংশ’, ‘দীর্ঘজীবিতা লভ্যাংশ’ ও ‘গণতান্ত্রিক লভ্যাংশ’ এর মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সাধুবাদযোগ্য।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা, মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং ৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির হার অর্জনের মতো বিষয়গুলো বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং অস্থির বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপটে কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বলেই মনে হচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, জনগণকে অর্জনযোগ্য নয় এমন আশা না দিয়ে বাস্তবভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা উচিত। বাজেট বক্তৃতায় ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি, ক্রীড়া অর্থনীতি, সবুজ অর্থনীতি ও সুনীল অর্থনীতির মতো খাতগুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ইতিবাচক হলেও, কর ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন, রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি এবং ঋণ নির্ভরতা কমানোর মতো বিষয়গুলো চ্যালেঞ্জিং হবে বলে দলটি মনে করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রস্তাবিত বাজেটে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী বৃদ্ধি, হজ ব্যবস্থাপনা সহজ করার উদ্যোগ

চমকপ্রদ বাজেট, তবে বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়

আপডেট সময় : ১০:৪০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘আশাবাদে ভারাক্রান্ত’ বলে আখ্যায়িত করেছে এবং এর বাস্তবায়ন নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছে। দলটির যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বাজেটে যে পরিমাণ আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে, তা বর্তমান বাস্তবতায় পূরণ করা কঠিন হবে। তবে, বাজেটটি সুলিখিত এবং এতে ‘সমাজ-সংস্কৃতির বুনন’, ‘অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন’, ‘জনমিতিকি লভ্যাংশ’, ‘দীর্ঘজীবিতা লভ্যাংশ’ ও ‘গণতান্ত্রিক লভ্যাংশ’ এর মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সাধুবাদযোগ্য।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও উল্লেখ করেন যে, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা, মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং ৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির হার অর্জনের মতো বিষয়গুলো বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং অস্থির বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপটে কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বলেই মনে হচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, জনগণকে অর্জনযোগ্য নয় এমন আশা না দিয়ে বাস্তবভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা উচিত। বাজেট বক্তৃতায় ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি, ক্রীড়া অর্থনীতি, সবুজ অর্থনীতি ও সুনীল অর্থনীতির মতো খাতগুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ইতিবাচক হলেও, কর ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন, রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি এবং ঋণ নির্ভরতা কমানোর মতো বিষয়গুলো চ্যালেঞ্জিং হবে বলে দলটি মনে করে।