দেশের পুঁজিবাজারকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে সরকার প্রাতিষ্ঠানিক ও নিয়ন্ত্রক সংস্কারের পথে হাঁটছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য আতিকুর রহমান মুজাহিদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান। অর্থমন্ত্রীর মতে, এই উদ্যোগ দেশীয় মূলধন সংগ্রহের পরিমাণ বাড়াতে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বেগবান করতে সহায়ক হবে।
অর্থমন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে দেশের পুঁজিবাজার বর্তমানে কিছুটা দুর্বল অবস্থায় রয়েছে এবং বাজারের বিকাশ ও সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু আর্থিক পণ্য এখনো পুরোপুরি বিকশিত হয়নি। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি জানান, বাজার তদারকি ও কার্যকারিতা বাড়াতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুনর্গঠন করা হয়েছে। কমিশনে অভিজ্ঞ ও দক্ষ পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং চলমান সংস্কার কার্যক্রমের ফলে আগামী দিনে পুঁজিবাজারে নতুন প্রাণ সঞ্চারিত হবে। এর মাধ্যমে জনগণের সঞ্চয়কে উৎপাদনশীল বিনিয়োগে রূপান্তরিত করার ক্ষেত্রে পুঁজিবাজার আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে। অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য পুঁজিবাজারকে একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য অর্থায়নের উৎস হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রিপোর্টারের নাম 





















