ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে নতুন মন্ত্রিসভায় অন্তত পাঁচজন মুসলিম মন্ত্রী নিয়োগের দাবি রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি জোরদার হওয়ায় বিষয়টি কংগ্রেসের জন্য একটি নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা দাবি করছেন, গত বিধানসভা নির্বাচনে প্রায় ৮৭ শতাংশ মুসলিম ভোটার কংগ্রেসকে সমর্থন করেছিলেন। তাদের মতে, এই বিপুল সমর্থনের প্রতিফলন সরকার গঠনের ক্ষেত্রেও থাকা উচিত এবং মন্ত্রিসভায় যথাযথ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এই ইস্যুটি নতুন নয়। দাভানাগেরে উপনির্বাচনের পর থেকেই মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি অংশ এবং কংগ্রেস নেতৃত্বের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। ওই উপনির্বাচনে মুসলিম প্রার্থী মনোনয়নের দাবি উঠলেও দলীয় হাইকমান্ড প্রয়াত শামানুর শিবশঙ্করাপ্পার পরিবারের একজন সদস্যকে মনোনয়ন দেয়। এর ফলে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীকালে বিভিন্ন প্রতিবাদের অন্যতম কারণ হয়ে ওঠে।
এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা দলীয় সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে কংগ্রেসের মুসলিম বিধায়কদের স্বার্থ ও রাজনৈতিক অবস্থান রক্ষার প্রশ্নে তারা সরব ভূমিকা পালন করেন। দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মুসলিম নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনাগুলোতেও সম্প্রদায়ভিত্তিক সংগঠনগুলো প্রতিবাদ জানায় এবং এসব পদক্ষেপকে মুসলিম নেতৃত্বকে কোণঠাসা করার প্রচেষ্টা হিসেবে তুলে ধরে।
সর্বশেষ শুক্রবার থেকে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। আন্দোলনকারীরা নতুন মন্ত্রিসভায় পাঁচটি মন্ত্রী পদ মুসলিম প্রতিনিধিদের জন্য বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবির মধ্যে বিজেড জামির আহমেদের জন্যও একটি মন্ত্রিত্ব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, মুসলিম সম্প্রদায় এখন আর শুধু আশ্বাসে সন্তুষ্ট নয়; তারা দৃশ্যমান ও কার্যকর রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব চায়।
এদিকে শতবর্ষী সামাজিক সংগঠন ‘আঞ্জুমান-ই-ইসলাম’-এর সভাপতি এবং সাবেক মন্ত্রী এ এম হিন্দাসগেরি বলেন, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণের আমলে মন্ত্রিসভায় পাঁচ থেকে ছয়জন মুসলিম সদস্য স্থান পেতেন এবং তিনিও তখন মন্ত্রী ছিলেন। তিনি বলেন, জনসংখ্যার অনুপাতে মুসলিমদের আরও বেশি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অন্তত পাঁচজন মুসলিম বিধায়ককে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। হুবলি-ধারওয়াড় মহানগর কংগ্রেসের সভাপতি আলতাফ হাল্লুর জানান,
রিপোর্টারের নাম 






















