ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

বিধবা ভাতার কার্ডের আশায় দুই দশক ধরে ভিক্ষা করছেন পটুয়াখালীর আছিয়া বেগম

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা আছিয়া বেগম স্বামী হারানোর প্রায় দুই দশক পরও বিধবা ভাতার কার্ড জুটেনি। বর্তমানে তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে জীবন যাপন করছেন। ২০০৭ সালে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই আছিয়া বেগম চরম অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

অভাবের তাড়নায় শেষ বয়সে এসে ভিক্ষাবৃত্তিকে বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। আছিয়া বেগমের অভিযোগ, বিধবা ভাতার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে বছরের পর বছর ঘুরেও তিনি কোনো সুরাহা পাননি। এলাকাবাসী এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেখানে বিত্তবান বা রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের স্বজনরা নানা সুযোগ-সুবিধা পায়, সেখানে আছিয়া বেগমের মতো একজন প্রকৃত দুস্থ নারী কেন সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তা প্রশ্নবিদ্ধ।

পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম গাজী এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘উনি কি আবেদন করেছেন?’ তবে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, কার্ড করে দেওয়ার বিষয়ে চেয়ারম্যান ইতিপূর্বে একাধিকবার অঙ্গীকার করলেও তা বাস্তবায়ন করেননি। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অলিউল ইসলাম জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রাপ্ত তালিকায় আছিয়া বেগম নামে কোনো নাম তারা পাননি। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে নাম পেলে তারা ব্যবস্থা নেবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

বিধবা ভাতার কার্ডের আশায় দুই দশক ধরে ভিক্ষা করছেন পটুয়াখালীর আছিয়া বেগম

আপডেট সময় : ০৬:০০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা আছিয়া বেগম স্বামী হারানোর প্রায় দুই দশক পরও বিধবা ভাতার কার্ড জুটেনি। বর্তমানে তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে জীবন যাপন করছেন। ২০০৭ সালে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকেই আছিয়া বেগম চরম অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

অভাবের তাড়নায় শেষ বয়সে এসে ভিক্ষাবৃত্তিকে বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। আছিয়া বেগমের অভিযোগ, বিধবা ভাতার জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে বছরের পর বছর ঘুরেও তিনি কোনো সুরাহা পাননি। এলাকাবাসী এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেখানে বিত্তবান বা রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের স্বজনরা নানা সুযোগ-সুবিধা পায়, সেখানে আছিয়া বেগমের মতো একজন প্রকৃত দুস্থ নারী কেন সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তা প্রশ্নবিদ্ধ।

পাঙ্গাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম গাজী এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘উনি কি আবেদন করেছেন?’ তবে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, কার্ড করে দেওয়ার বিষয়ে চেয়ারম্যান ইতিপূর্বে একাধিকবার অঙ্গীকার করলেও তা বাস্তবায়ন করেননি। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অলিউল ইসলাম জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রাপ্ত তালিকায় আছিয়া বেগম নামে কোনো নাম তারা পাননি। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে নাম পেলে তারা ব্যবস্থা নেবেন।