ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির সঙ্গে সীমান্ত পাহারায় স্থানীয়রা

জামালপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশইন ঠেকাতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সঙ্গে স্থানীয়রাও রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। জানা যায়, কয়েকদিন ধরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ লোকজনকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জামালপুরের বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে।

সীমান্ত সুরক্ষায় ও দেশের নিরাপত্তার জন্য স্বেচ্ছায় বিজিবিকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন স্থানীয়রা। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পার রামরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জে. কে. সেলিম মিয়ার উদ্যোগে মসজিদে মাইকিং করে এলাকাবাসীকে সচেতন করা হয়। পরে গ্রাম পুলিশ, আনসার ও স্থানীয় বাসিন্দারা লাঠিসোঁটা নিয়ে রাতভর সীমান্ত এলাকায় পাহারায় অংশ নেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষায় তারা স্বেচ্ছায় বিজিবিকে সহযোগিতা করছেন এবং কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে তারা সতর্ক রয়েছেন।

জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসানুর রহমান জানিয়েছেন, বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে এলাকাবাসী নজরদারি চালাচ্ছেন এবং বিজিবিকে স্থানীয় এলাকাবাসী যথেষ্ট সহযোগিতা করে যাচ্ছে। সীমান্তে কঠোর নজরদারি জোরদার করায় এলাকায় স্বস্তি ফিরলেও সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ কিছুটা আতঙ্কে রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির সঙ্গে সীমান্ত পাহারায় স্থানীয়রা

আপডেট সময় : ০৭:১২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

জামালপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশইন ঠেকাতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সঙ্গে স্থানীয়রাও রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। জানা যায়, কয়েকদিন ধরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ লোকজনকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জামালপুরের বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে।

সীমান্ত সুরক্ষায় ও দেশের নিরাপত্তার জন্য স্বেচ্ছায় বিজিবিকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন স্থানীয়রা। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পার রামরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জে. কে. সেলিম মিয়ার উদ্যোগে মসজিদে মাইকিং করে এলাকাবাসীকে সচেতন করা হয়। পরে গ্রাম পুলিশ, আনসার ও স্থানীয় বাসিন্দারা লাঠিসোঁটা নিয়ে রাতভর সীমান্ত এলাকায় পাহারায় অংশ নেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষায় তারা স্বেচ্ছায় বিজিবিকে সহযোগিতা করছেন এবং কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে তারা সতর্ক রয়েছেন।

জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসানুর রহমান জানিয়েছেন, বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে এলাকাবাসী নজরদারি চালাচ্ছেন এবং বিজিবিকে স্থানীয় এলাকাবাসী যথেষ্ট সহযোগিতা করে যাচ্ছে। সীমান্তে কঠোর নজরদারি জোরদার করায় এলাকায় স্বস্তি ফিরলেও সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ কিছুটা আতঙ্কে রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।