ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সীমান্তে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান: ৭০ ঘণ্টা পর বিএসএফের জিম্মায় ১০ বাংলাদেশি

অবশেষে ৭০ ঘণ্টা অপেক্ষার পর ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পঞ্চগড় সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে পুশইন করা নারী ও শিশুসহ ১০ জন বাংলাদেশিকে সরিয়ে নিয়েছে। রবিবার গভীর রাতে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রধানপাড়া সীমান্তে পুশইনের চেষ্টাকে ঘিরে সৃষ্ট দীর্ঘ জটিলতার অবসান হয়েছে।

সোমবার সকালে সীমান্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, যেখানে গত কয়েক দিন ধরে ওই ১০ জন অবস্থান করছিলেন, সেখানে আর কাউকে দেখা যায়নি। বিজিবি ও বিএসএফের অতিরিক্ত সদস্যদের উপস্থিতি কমে এসেছে এবং উভয়বাহিনীই নিজ নিজ অবস্থানে ফিরে গেছে।

স্থানীয় সূত্র মতে, শুক্রবার ভোর থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট ১০ জন সীমান্ত সংলগ্ন একটি কৃষিজমিতে অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করেন। রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তাদের জন্য কোনো ধরনের আশ্রয় বা সহায়তার ব্যবস্থা ছিল না।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, আমরা বিজিবির সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় পাহারা দিচ্ছিলাম। রাত ১২টার দিকে বিএসএফ সীমান্তের লাইট বন্ধ করে দেয়। পরে রাত প্রায় আড়াইটার দিকে তারা কাটাতারের গেট খুলে ওই লোকজনকে সেখান থেকে নিয়ে যায়।

নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিএসএফ তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাত আড়াইটার দিকে ওই ১০ জনকে সরিয়ে নেয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

সীমান্তে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান: ৭০ ঘণ্টা পর বিএসএফের জিম্মায় ১০ বাংলাদেশি

আপডেট সময় : ০৬:০১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

অবশেষে ৭০ ঘণ্টা অপেক্ষার পর ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পঞ্চগড় সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে পুশইন করা নারী ও শিশুসহ ১০ জন বাংলাদেশিকে সরিয়ে নিয়েছে। রবিবার গভীর রাতে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রধানপাড়া সীমান্তে পুশইনের চেষ্টাকে ঘিরে সৃষ্ট দীর্ঘ জটিলতার অবসান হয়েছে।

সোমবার সকালে সীমান্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, যেখানে গত কয়েক দিন ধরে ওই ১০ জন অবস্থান করছিলেন, সেখানে আর কাউকে দেখা যায়নি। বিজিবি ও বিএসএফের অতিরিক্ত সদস্যদের উপস্থিতি কমে এসেছে এবং উভয়বাহিনীই নিজ নিজ অবস্থানে ফিরে গেছে।

স্থানীয় সূত্র মতে, শুক্রবার ভোর থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ মোট ১০ জন সীমান্ত সংলগ্ন একটি কৃষিজমিতে অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করেন। রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তাদের জন্য কোনো ধরনের আশ্রয় বা সহায়তার ব্যবস্থা ছিল না।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, আমরা বিজিবির সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় পাহারা দিচ্ছিলাম। রাত ১২টার দিকে বিএসএফ সীমান্তের লাইট বন্ধ করে দেয়। পরে রাত প্রায় আড়াইটার দিকে তারা কাটাতারের গেট খুলে ওই লোকজনকে সেখান থেকে নিয়ে যায়।

নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিএসএফ তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাত আড়াইটার দিকে ওই ১০ জনকে সরিয়ে নেয়।