সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা এবং ভারতে অব্যাহত পুশইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টার মধ্যেই শীর্ষ পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। বাংলাদেশ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মধ্যে এটিই প্রথম মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন।
আজ সোমবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে এই চার দিনব্যাপী সম্মেলন শুরু হয়েছে, যা আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চলবে। এই ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলনটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিক আলোচনা নয়, বরং বাংলাদেশের জন্য নিজেদের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং সীমান্ত সুরক্ষায় দীর্ঘদিনের দাবিগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরার একটি বড় সুযোগ।
বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইতিমধ্যেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছে এবং সম্মেলনের এজেন্ডা চূড়ান্ত করেছে। এবারের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সীমান্ত হত্যা এবং পুশইন ইস্যুটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উত্থাপন করা হবে। বাংলাদেশ আশা করছে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে ভারত তাদের সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা করা থেকে বিরত থাকবে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা বন্ধ করবে।
এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে বিজিবির শীর্ষ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর এবং যৌথ নদী কমিশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। অন্যদিকে, বিএসএফ মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ভারতের প্রতিনিধিদলে দেশটির স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার প্রতিনিধিরা থাকছেন।
বিজিবির ঢাকা সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বৈঠকের আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে রুটিনমাফিক এই বৈঠকের আড়ালে এবার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাতটি অমীমাংসিত ও স্পর্শকাতর অভিযোগ উত্থাপন করা হবে, যা বাংলাদেশের জনমনে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ ও উদ্বেগের জন্ম দিয়ে আসছে।
নয়াদিল্লির এই সম্মেলনে বাংলাদেশ সাতটি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আলোচনার টেবিলে তুলছে, যার মধ্যে সীমান্ত হত্যা একটি প্রধান বিষয়।
রিপোর্টারের নাম 






















