ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

পঞ্চগড় সীমান্তে তৃতীয় দিনের মতো পুশইনের চেষ্টা ঠেকালো বিজিবি, শূন্যরেখায় ১০ নারী-শিশু

পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্ত শূন্যরেখায় আবারও ১০ জন শিশু ও নারীকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। রোববার, তৃতীয় দিনের মতো বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধায় পিছু হটতে বাধ্য হয় বিএসএফ।

দুপুরে বড়বাড়ি সীমান্তের বাংলাদেশের শূন্যরেখায় গিয়ে দেখা যায়, প্রখর রোদের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে বসে আছে ১০ জন, যাদের মধ্যে তিন শিশু ও দুই নারী রয়েছেন। তারা অমানবিক ভাবে দিন-রাত কাটাচ্ছেন।

বিজিবি ও সীমান্তের স্থানীয় লোকজন জানান, গত শুক্রবার ভোর রাতে পঞ্চগড় উপজেলা সদরের বড়বাড়ী সীমান্তে ওই ১০ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ নিয়ে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে কয়েক দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।

দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিএসএফ ভারতীয় শূন্যরেখায় অবস্থানকারী এই ১০ জনকে আবারও বাংলাদেশের শূন্যরেখায় ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি বাধা দেয়। এ সময় ওই সীমান্তে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে বিএসএফ তাদের নিয়ে সরে যেতে বাধ্য হয়।

পুশইনের শিকার আব্দুস সালাম গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, তাদের খাবার ও পানি শেষ হয়ে গেছে এবং তারা না খেয়ে বেঁচে আছেন। কেউ তাদের খাবার বা পানি দিচ্ছে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

পঞ্চগড় সীমান্তে তৃতীয় দিনের মতো পুশইনের চেষ্টা ঠেকালো বিজিবি, শূন্যরেখায় ১০ নারী-শিশু

আপডেট সময় : ০৯:২৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্ত শূন্যরেখায় আবারও ১০ জন শিশু ও নারীকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। রোববার, তৃতীয় দিনের মতো বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধায় পিছু হটতে বাধ্য হয় বিএসএফ।

দুপুরে বড়বাড়ি সীমান্তের বাংলাদেশের শূন্যরেখায় গিয়ে দেখা যায়, প্রখর রোদের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে বসে আছে ১০ জন, যাদের মধ্যে তিন শিশু ও দুই নারী রয়েছেন। তারা অমানবিক ভাবে দিন-রাত কাটাচ্ছেন।

বিজিবি ও সীমান্তের স্থানীয় লোকজন জানান, গত শুক্রবার ভোর রাতে পঞ্চগড় উপজেলা সদরের বড়বাড়ী সীমান্তে ওই ১০ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ নিয়ে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে কয়েক দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।

দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিএসএফ ভারতীয় শূন্যরেখায় অবস্থানকারী এই ১০ জনকে আবারও বাংলাদেশের শূন্যরেখায় ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি বাধা দেয়। এ সময় ওই সীমান্তে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে বিএসএফ তাদের নিয়ে সরে যেতে বাধ্য হয়।

পুশইনের শিকার আব্দুস সালাম গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, তাদের খাবার ও পানি শেষ হয়ে গেছে এবং তারা না খেয়ে বেঁচে আছেন। কেউ তাদের খাবার বা পানি দিচ্ছে না।