ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সংযোগ সড়ক নেই, দুই দশকেও অচল মনোহরগঞ্জের সেতু; লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মিত একটি সেতু দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি কোনো কাজেই আসছে না। ফলে এলাকার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্র মতে, ২০০৬ সালে সেতুটি উদ্বোধনের পর থেকে আজ পর্যন্ত এর দুপাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। পূর্বে এই স্থানে একটি বাঁশের সাঁকো ছিল যা দিয়ে মানুষ সহজেই নদী পার হতে পারত। কিন্তু বর্তমানে কংক্রিটের উঁচু সেতু থাকলেও মাটি না থাকায় এটি কার্যত অচল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংযোগ সড়ক নির্মাণের নামে প্রকল্পের অনুমোদন হলেও বাস্তবে কাজ না করেই ঠিকাদাররা বিল তুলে নিচ্ছেন।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শাহ আলম জানিয়েছেন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে চারটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হলেও তারা কাজ শুরু করে মাঝপথে বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভিন রুহি বলেন, তিনি বিষয়টি অবগত হয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা দিয়েছেন। দুই দশকের বেশি সময় ধরে সংযোগ সড়কের অভাবে সেতুটি অকার্যকর থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

সংযোগ সড়ক নেই, দুই দশকেও অচল মনোহরগঞ্জের সেতু; লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি

আপডেট সময় : ০২:৩৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় ডাকাতিয়া নদীর উপর নির্মিত একটি সেতু দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে প্রায় ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি কোনো কাজেই আসছে না। ফলে এলাকার প্রায় লক্ষাধিক মানুষ প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্র মতে, ২০০৬ সালে সেতুটি উদ্বোধনের পর থেকে আজ পর্যন্ত এর দুপাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। পূর্বে এই স্থানে একটি বাঁশের সাঁকো ছিল যা দিয়ে মানুষ সহজেই নদী পার হতে পারত। কিন্তু বর্তমানে কংক্রিটের উঁচু সেতু থাকলেও মাটি না থাকায় এটি কার্যত অচল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংযোগ সড়ক নির্মাণের নামে প্রকল্পের অনুমোদন হলেও বাস্তবে কাজ না করেই ঠিকাদাররা বিল তুলে নিচ্ছেন।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শাহ আলম জানিয়েছেন, ২০২২-২৩ অর্থবছরে চারটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের কাজ একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হলেও তারা কাজ শুরু করে মাঝপথে বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভিন রুহি বলেন, তিনি বিষয়টি অবগত হয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশনা দিয়েছেন। দুই দশকের বেশি সময় ধরে সংযোগ সড়কের অভাবে সেতুটি অকার্যকর থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।