চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে (চমেক) ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি শুরু করেছেন। রোববার সকাল ৮টা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। তাদের কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে কলেজের শিক্ষার্থীরাও বেলা ১১টার পর থেকে ক্লাস বর্জন করেছেন।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ, তাদের উত্থাপিত ছয় দফা দাবির মধ্যে একটি বিষয়ে আংশিক আশ্বাস পাওয়া গেলেও বাকি দাবিগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে বাধ্য হয়েই তারা কর্মবিরতির পথে হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।
আন্দোলনরত চিকিৎসকদের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—গত ১৯ মে জারি করা এফসিপিএস প্রশিক্ষণসংক্রান্ত নির্দেশনা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহার করে নতুন নির্দেশনা জারি, স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এর বাস্তবায়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং সরকারি চিকিৎসকদের জন্য পৃথক বেতনকাঠামো প্রণয়ন।
বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে উপজেলায় প্রশিক্ষণ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি এফসিপিএস প্রথম পর্বে উত্তীর্ণ বেসরকারি প্রশিক্ষণার্থীরা বিসিপিএস স্বীকৃত সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণ নিলে প্রশিক্ষণ ভাতার আওতায় আসবেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাকিব হোসেন বলেন, রোগীদের স্বার্থ বিবেচনায় তারা কর্মবিরতি পিছিয়ে দিয়েছিলেন। প্রশাসনকে প্রথমে ৪৮ ঘণ্টা, পরে আরও ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাদের দাবিগুলো নিয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তাই বাধ্য হয়েই কর্মবিরতি পালন করতে হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















