সীমান্তে বিএসএফের কথিত অবৈধ পুশইন প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাশাপাশি পাহারায় নেমেছেন সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। লালমনিরহাটের আদিতমারী, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় স্থানীয়দের এমন তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।
সম্প্রতি এসব সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৩৩ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হলে বিজিবি তা প্রতিহত করে। এরপর সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে স্থানীয়রাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবির সঙ্গে নজরদারিতে অংশ নিচ্ছেন।
আদিতমারীর দুর্গাপুর সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা ছকমল হোসেন বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের যে চেষ্টা চলছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সীমান্তবাসীরা সবসময় বিজিবির পাশে থাকবে।
একই এলাকার আরেক বাসিন্দা গোলাপ মিয়া বলেন, অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির সঙ্গে স্থানীয়রাও লাঠি হাতে পাহারা দিচ্ছেন।
১৫ বিজিবির মিডিয়া সেল সূত্র জানায়, সীমান্তে পুশইনের জন্য আনা ব্যক্তিদের ভারতীয় কর্তৃপক্ষ নিজ ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নিয়েছে। বর্তমানে তিনটি সীমান্ত পয়েন্টেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবির টহল ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
রংপুর সেক্টর সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈধ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে সীমান্তের কাঁটাতারবিহীন এলাকা কিংবা ফেন্সিং গেট ব্যবহার করে লোকজনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার পরিপন্থি।
সীমান্তে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রিপোর্টারের নাম 






















