নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগের মিছিলকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামে এই সংঘর্ষ হয়। এ সময় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয় ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দুটি মোটরসাইকেল। নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হৃদয়সহ উভয় পক্ষের অন্তত ৭/৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ, ছাত্রদল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ-যুবলীগ একটি ঝটিকা মিছিল বের করে। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে বাঁধেরহাট বাজারে স্থানীয় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।
কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেলের বহর কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমের বাড়ির পাশে পৌঁছায়। সেলিমের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আ.লীগের লোকজন মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার ঘোষণা দেন। এতে স্থানীয় আ.লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা লাঠিশোটা নিয়ে ঘটনাস্থলে জড়ো হয়। তারা ছাত্রদল ও দলের অঙ্গ সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতা স্থানীয় আ.লীগ কার্যালয়ও ভাঙচুর করে।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান রাহান অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগ, যুবলীগের কিছু সশস্ত্র কর্মী-সমর্থক শনিবার বিকেলে মিছিল করার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে আমাদের স্থানীয় নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে যায়। আ.লীগ নেতা ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সেলিমের নেতৃত্বে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে ছাত্রদল কর্মী ও সমর্থকরা ধাওয়া করলে আ.লীগের নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায়। আমরা এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অতি দ্রুত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জোর দাবি জানাচ্ছি।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় নিষিদ্ধ আ.লীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। খবর পেয়ে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত নেতাকর্মীদের হাসপাতালে ভর্তি করি। এ সময় হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
সুধারাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















