ঢাকা ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়ায় অবস্থিত রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। সফরকালে তিনি রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রা, স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে তুরস্কের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকালে তিনি উখিয়ার বালুখালী এলাকার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং তুরস্কের সহায়তায় পরিচালিত একটি ফিল্ড হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুপুরে ঢাকা থেকে বিমানযোগে কক্সবাজার পৌঁছানোর পর বিকেল ৪টার দিকে তিনি বালুখালী ৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান। সেখানে তুরস্কের অর্থায়নে পরিচালিত ফিল্ড হাসপাতালের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসা নিতে আসা রোহিঙ্গা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।

পরে তিনি ১৬ ও ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এ সময় ক্যাম্পবাসীদের দৈনন্দিন জীবনযাপন, স্বাস্থ্যসেবা এবং চলমান মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। হাসপাতাল পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন তিনি।

সফর শেষে সন্ধ্যায় কক্সবাজার ত্যাগ করেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সফরকালে প্রধান উপদেষ্টার পররাষ্ট্রবিষয়ক বিশেষ দূত হুমায়ুন কবির, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), র‌্যাব-১৫ এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ জানান, সফরকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সফরটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ সফরের অংশ হিসেবে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে এসে হাকান ফিদান পুনরায় উল্লেখ করেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছাপ্রণোদিত এবং টেকসই প্রত্যাবাসনের পক্ষে তুরস্ক সবসময় সমর্থন দিয়ে যাবে। একই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

শুভ জন্মদিন ফুটবল জাদুকর

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান

আপডেট সময় : ১০:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়ায় অবস্থিত রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। সফরকালে তিনি রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রা, স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে তুরস্কের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

শুক্রবার (৫ জুন) বিকালে তিনি উখিয়ার বালুখালী এলাকার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং তুরস্কের সহায়তায় পরিচালিত একটি ফিল্ড হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুপুরে ঢাকা থেকে বিমানযোগে কক্সবাজার পৌঁছানোর পর বিকেল ৪টার দিকে তিনি বালুখালী ৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যান। সেখানে তুরস্কের অর্থায়নে পরিচালিত ফিল্ড হাসপাতালের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসা নিতে আসা রোহিঙ্গা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন।

পরে তিনি ১৬ ও ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এ সময় ক্যাম্পবাসীদের দৈনন্দিন জীবনযাপন, স্বাস্থ্যসেবা এবং চলমান মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। হাসপাতাল পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন তিনি।

সফর শেষে সন্ধ্যায় কক্সবাজার ত্যাগ করেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সফরকালে প্রধান উপদেষ্টার পররাষ্ট্রবিষয়ক বিশেষ দূত হুমায়ুন কবির, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা, উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), র‌্যাব-১৫ এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ জানান, সফরকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সফরটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ সফরের অংশ হিসেবে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে এসে হাকান ফিদান পুনরায় উল্লেখ করেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছাপ্রণোদিত এবং টেকসই প্রত্যাবাসনের পক্ষে তুরস্ক সবসময় সমর্থন দিয়ে যাবে। একই সঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।