ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬

আমের দাম বিপর্যয়ে দিশেহারা চাষিরা, লোকসানের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন

ভারতের রায়ালসীমা অঞ্চলের আম চাষিরা বর্তমানে এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন। প্রাক-মৌসুমি ঝড়, শিলাবৃষ্টি এবং বাজারে আমের দামের তীব্র পতনের কারণে তারা চরম লোকসানের আশঙ্কায় ভুগছেন। বিশেষ করে মণ্ড প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তোতাপুরী জাতের আম ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে।

ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে আমের বাগানগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যার ফলে গাছ থেকে ঝরে পড়া আম সংগ্রহ করে বাজারে নিয়ে আসা হচ্ছে। কিন্তু সেখানে প্রতি কেজি আম মাত্র ২ রুপি বা সর্বোচ্চ ৫ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যা চাষিদের উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম। গত বছরও আমের দাম ৪ রুপির নিচে নেমে যাওয়ায় ব্যাপক হাহাকার সৃষ্টি হয়েছিল।

চিত্তুর আম উৎপাদনকারী সমিতির সভাপতি কোথুর বাবু জানিয়েছেন, বাগানের রক্ষণাবেক্ষণ, শ্রমিক, সেচ, ফসল সুরক্ষা এবং পরিবহনের খরচ বাদ দিলেও তোতাপুরী আমের উৎপাদন খরচ তুলতে প্রতি কেজিতে অন্তত ১২ থেকে ১৫ রুপি প্রয়োজন। গত বছর মণ্ড প্রস্তুতকারকেরা রপ্তানি চাহিদা কম থাকার অজুহাতে সংগ্রহের মূল্য কমিয়ে দিয়েছিল।

চলতি বছরেও মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে উপসাগরীয় এবং ইউরোপীয় দেশগুলোতে রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে শিল্প মালিকরা দাবি করছেন, যা আমের বাজারকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

বিরাট কোহলির অনবদ্য পারফরম্যান্সে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

আমের দাম বিপর্যয়ে দিশেহারা চাষিরা, লোকসানের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন

আপডেট সময় : ১১:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

ভারতের রায়ালসীমা অঞ্চলের আম চাষিরা বর্তমানে এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন। প্রাক-মৌসুমি ঝড়, শিলাবৃষ্টি এবং বাজারে আমের দামের তীব্র পতনের কারণে তারা চরম লোকসানের আশঙ্কায় ভুগছেন। বিশেষ করে মণ্ড প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তোতাপুরী জাতের আম ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে।

ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে আমের বাগানগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যার ফলে গাছ থেকে ঝরে পড়া আম সংগ্রহ করে বাজারে নিয়ে আসা হচ্ছে। কিন্তু সেখানে প্রতি কেজি আম মাত্র ২ রুপি বা সর্বোচ্চ ৫ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যা চাষিদের উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম। গত বছরও আমের দাম ৪ রুপির নিচে নেমে যাওয়ায় ব্যাপক হাহাকার সৃষ্টি হয়েছিল।

চিত্তুর আম উৎপাদনকারী সমিতির সভাপতি কোথুর বাবু জানিয়েছেন, বাগানের রক্ষণাবেক্ষণ, শ্রমিক, সেচ, ফসল সুরক্ষা এবং পরিবহনের খরচ বাদ দিলেও তোতাপুরী আমের উৎপাদন খরচ তুলতে প্রতি কেজিতে অন্তত ১২ থেকে ১৫ রুপি প্রয়োজন। গত বছর মণ্ড প্রস্তুতকারকেরা রপ্তানি চাহিদা কম থাকার অজুহাতে সংগ্রহের মূল্য কমিয়ে দিয়েছিল।

চলতি বছরেও মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে উপসাগরীয় এবং ইউরোপীয় দেশগুলোতে রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে শিল্প মালিকরা দাবি করছেন, যা আমের বাজারকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।