পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ নিজ নিজ বাড়ির পানে রওনা হয়েছেন। এর ফলে সাভার ও আশুলিয়ার ঢাকা-আরিচা এবং নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যানবাহনের ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। বৃষ্টি এবং ঘরমুখো মানুষের অতিরিক্ত চাপ যান চলাচলকে বিঘ্নিত করছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই এই দুই মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে বৃষ্টির কারণে এবং অতিরিক্ত যাত্রীবাহী বাস ও মানুষের চাপের ফলে যানবাহনগুলোকে স্বাভাবিকের চেয়ে ধীরগতিতে চলতে হয়েছে। বিশেষ করে সাভারের গাবতলি থেকে হেমায়েতপুর, আমিনবাজার, সাভার, নবীনগর পর্যন্ত এবং নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের পল্লীবিদ্যুৎ, বাইপাইল ত্রি মোড়, বলিভদ্র, জিরানি, বাড়ৈপাড়া অংশে যানবাহনের চাপ বেশি দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, এই যানজটের কারণে গাবতলি থেকে নবীনগর পৌঁছাতে প্রায় তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা সময় লাগছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পরিবহন সঙ্কটে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেককেই ট্রাকে, মালবাহী ট্রাক, পিক-আপ ভ্যানে করে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।
সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল থেকে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফেরা শ্রমিকদের চাপ সড়কে বেশি। এই অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০৫টি শিল্প প্রতিষ্ঠানে ধাপে ধাপে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, যার ফলে দুপুরের পর থেকেই সড়কগুলোতে যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নবীনগর বাসস্ট্যান্ড ও বাইপাইল এলাকায় গাড়ির গতি কিছুটা কম থাকলেও বড় কোনো যানজট সৃষ্টি হয়নি। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 



















