দেশের বাজারে নকল, ভেজাল এবং নিম্নমানের পণ্যের বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। প্রসাধনী থেকে শুরু করে খাদ্যপণ্য, ওষুধ, ইলেকট্রনিক্স এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্র্যান্ডের পণ্যের হুবহু নকল সংস্করণ এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালে। বিশেষ করে উৎসবের মৌসুম এবং অনলাইন শপিংয়ের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এতে ভোক্তারা যেমন প্রতারিত হচ্ছেন, তেমনি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে এবং প্রকৃত ব্র্যান্ডের ব্যবসায়িক সুনাম নষ্ট হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আসল ও নকল পণ্যের পার্থক্য এতটাই সূক্ষ্ম যে সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) মতে, বর্তমানে বাজারে এমন কোনো পণ্য নেই যার নকল সংস্করণ নেই। বিশেষ করে নিম্নমানের বৈদ্যুতিক তার বা যন্ত্রাংশ ব্যবহারের কারণে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রসাধনী, শিশুখাদ্য, ভোজ্যতেল, ওষুধ এবং মোবাইল ফোনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্যগুলো নকল হওয়ার হার সবচেয়ে বেশি। তাই পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতাদের আরও বেশি সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 






















