ঢাকা ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

চীনে বিপন্ন বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের সংখ্যায় ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি

চীনে বিরল ও বিপন্ন বন্যপ্রাণীদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধির সুখবর পাওয়া গেছে। দেশটির সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ২০০টির বেশি বিপন্ন বন্যপ্রাণী প্রজাতি এখন পুনরুদ্ধারের পর্যায়ে রয়েছে এবং ১০০টিরও বেশি হুমকির মুখে থাকা উদ্ভিদ প্রজাতিকে বিশেষ সুরক্ষার আওতায় আনা হয়েছে।

জীববৈচিত্র্য বিষয়ক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, হাইনান গিবনসহ বেশ কিছু বিরল প্রাণীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব চীনের বাঘ ও চিতাবাঘ জাতীয় পার্কে বন্য আমুর বাঘিনীর শাবক জন্ম দেওয়ার ঘটনা প্রজননের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এছাড়া হ্যালান পর্বতমালায় তুষার চিতাবাঘের বংশবিস্তারও সফল হয়েছে।

উদ্ভিদ ও পাখি সংরক্ষণেও চীন উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বিভিন্ন বিলুপ্তপ্রায় ফার গাছ ও অর্কিডের সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশটির ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ পাখি প্রজাতি জাতীয় সুরক্ষা তালিকার অন্তর্ভুক্ত। পরিযায়ী পাখিদের জন্য এক হাজারেরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল চিহ্নিত করে সেগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। অবৈধ শিকার রোধে কঠোর অভিযানের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির হাঁস ও পাখির সংখ্যাও আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিভির পর্দায় আজকের খেলা: ফুটবল বিশ্বকাপ ও বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে লড়াই

চীনে বিপন্ন বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের সংখ্যায় ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০১:৫৮:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

চীনে বিরল ও বিপন্ন বন্যপ্রাণীদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধির সুখবর পাওয়া গেছে। দেশটির সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ২০০টির বেশি বিপন্ন বন্যপ্রাণী প্রজাতি এখন পুনরুদ্ধারের পর্যায়ে রয়েছে এবং ১০০টিরও বেশি হুমকির মুখে থাকা উদ্ভিদ প্রজাতিকে বিশেষ সুরক্ষার আওতায় আনা হয়েছে।

জীববৈচিত্র্য বিষয়ক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, হাইনান গিবনসহ বেশ কিছু বিরল প্রাণীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব চীনের বাঘ ও চিতাবাঘ জাতীয় পার্কে বন্য আমুর বাঘিনীর শাবক জন্ম দেওয়ার ঘটনা প্রজননের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এছাড়া হ্যালান পর্বতমালায় তুষার চিতাবাঘের বংশবিস্তারও সফল হয়েছে।

উদ্ভিদ ও পাখি সংরক্ষণেও চীন উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বিভিন্ন বিলুপ্তপ্রায় ফার গাছ ও অর্কিডের সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশটির ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ পাখি প্রজাতি জাতীয় সুরক্ষা তালিকার অন্তর্ভুক্ত। পরিযায়ী পাখিদের জন্য এক হাজারেরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল চিহ্নিত করে সেগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। অবৈধ শিকার রোধে কঠোর অভিযানের ফলে বিভিন্ন প্রজাতির হাঁস ও পাখির সংখ্যাও আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।