ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

কলোম্বিয়ায় এসকোবারের সেই ‘কোকেন হিপো’দের তাণ্ডব, নিধনের পথে সরকার

কলোম্বিয়ার কুখ্যাত মাদক সম্রাট পাবলো এসকোবারের ব্যক্তিগত খামারবাড়িতে এক সময় আনা হয়েছিল জলহস্তীর একটি ছোট দল। ১৯৯৩ সালে এসকোবার নিহত হওয়ার পর প্রাণীগুলো অরক্ষিত অবস্থায় বুনো পরিবেশে বংশবিস্তার শুরু করে। বর্তমানে সেই ৪টি জলহস্তী থেকে সংখ্যায় বেড়ে প্রায় ২০০টিতে দাঁড়িয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে ‘কোকেন হিপো’ নামে পরিচিত।

এই জলহস্তীগুলো এখন কলোম্বিয়ার পরিবেশের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদের বিশাল শারীরিক গঠনের কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হচ্ছে এবং বর্জ্যের কারণে পানি দূষিত হয়ে জলজ প্রাণীদের অস্তিত্ব সংকটে পড়ছে। এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে জলহস্তীগুলো লোকালয়ে এসে সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণ এবং সড়ক দুর্ঘটনার মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও পরিবেশবিদেরা হিমশিম খাচ্ছেন। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার প্রায় ৮০টি জলহস্তীকে সুঁই ফুটিয়ে নিধনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিভির পর্দায় আজকের খেলা: ফুটবল বিশ্বকাপ ও বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে লড়াই

কলোম্বিয়ায় এসকোবারের সেই ‘কোকেন হিপো’দের তাণ্ডব, নিধনের পথে সরকার

আপডেট সময় : ১২:৫১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

কলোম্বিয়ার কুখ্যাত মাদক সম্রাট পাবলো এসকোবারের ব্যক্তিগত খামারবাড়িতে এক সময় আনা হয়েছিল জলহস্তীর একটি ছোট দল। ১৯৯৩ সালে এসকোবার নিহত হওয়ার পর প্রাণীগুলো অরক্ষিত অবস্থায় বুনো পরিবেশে বংশবিস্তার শুরু করে। বর্তমানে সেই ৪টি জলহস্তী থেকে সংখ্যায় বেড়ে প্রায় ২০০টিতে দাঁড়িয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে ‘কোকেন হিপো’ নামে পরিচিত।

এই জলহস্তীগুলো এখন কলোম্বিয়ার পরিবেশের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদের বিশাল শারীরিক গঠনের কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হচ্ছে এবং বর্জ্যের কারণে পানি দূষিত হয়ে জলজ প্রাণীদের অস্তিত্ব সংকটে পড়ছে। এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে জলহস্তীগুলো লোকালয়ে এসে সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণ এবং সড়ক দুর্ঘটনার মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও পরিবেশবিদেরা হিমশিম খাচ্ছেন। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার প্রায় ৮০টি জলহস্তীকে সুঁই ফুটিয়ে নিধনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।