কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে পশুর হাটে লেনদেনের সুযোগে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে জালনোট তৈরির প্রতারক চক্র। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এখন প্রকাশ্যে চলছে উন্নত মানের জালনোট বিক্রির বিজ্ঞাপন। ক্রেতা-বিক্রেতাদের অসতর্কতা এবং হাটের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে এসব জাল টাকা বাজারে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতারক চক্র দমনে সম্প্রতি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ও র্যাব রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে। উদ্ধার করা হয়েছে জালনোট তৈরির সরঞ্জাম, কম্পিউটার, স্ক্যানার ও প্রিন্টার। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল অভিযান চালিয়ে জালনোট নির্মূল সম্ভব নয়; সাধারণ মানুষকেও নোট চেনার উপায় সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। লেনদেনের সময় জলছাপ, নিরাপত্তা সুতা ও কালির মান যাচাই করার পরামর্শ দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রিপোর্টারের নাম 























