ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

রামিসা হত্যা: বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, রাশেদ খাঁনের চ্যালেঞ্জ

রামিসা হত্যার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন এই বিচার প্রসঙ্গে জামায়াত ও এনসিপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে তিনি এই চ্যালেঞ্জ জানান।

ওই পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ আসামি গ্রেপ্তার করা, যা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। বাকিটা আইন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। আইনমন্ত্রীও সাত দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও লেখেন, জনগণের দাবি অনুযায়ী প্রকাশ্যে ধর্ষণের শাস্তির আইন হতে পারে, এমনকি শরিয়া আইনেও ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারে।

গণ অধিকার পরিষদের সাবেক এই নেতা প্রশ্ন তুলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি কি প্রকাশ্যে বা পাথর মেরে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পক্ষে? যদি তারা এর পক্ষে থাকেন, তাহলে তাদের বিবৃতি বা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তা প্রকাশ করা উচিত। তিনি মনে করেন, এ বিষয়ে ঐকমত্য হলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সহজ হবে। তবে, তার মতে, এই দলগুলোও প্রকাশ্যে বা পাথর মেরে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড চায় না। তিনি আরও বলেন, শরিয়া আইনের রাজনীতি করেও যারা শরিয়া আইন থেকে দূরে থাকতে চায়, তারা প্রকৃত ইসলামিক দল হতে পারে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিতর্ক যেন জাহ্নবীর নিত্যসঙ্গী

রামিসা হত্যা: বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, রাশেদ খাঁনের চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় : ০৫:০৬:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

রামিসা হত্যার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন এই বিচার প্রসঙ্গে জামায়াত ও এনসিপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে তিনি এই চ্যালেঞ্জ জানান।

ওই পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ আসামি গ্রেপ্তার করা, যা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। বাকিটা আইন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। আইনমন্ত্রীও সাত দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও লেখেন, জনগণের দাবি অনুযায়ী প্রকাশ্যে ধর্ষণের শাস্তির আইন হতে পারে, এমনকি শরিয়া আইনেও ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারে।

গণ অধিকার পরিষদের সাবেক এই নেতা প্রশ্ন তুলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি কি প্রকাশ্যে বা পাথর মেরে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পক্ষে? যদি তারা এর পক্ষে থাকেন, তাহলে তাদের বিবৃতি বা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তা প্রকাশ করা উচিত। তিনি মনে করেন, এ বিষয়ে ঐকমত্য হলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সহজ হবে। তবে, তার মতে, এই দলগুলোও প্রকাশ্যে বা পাথর মেরে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড চায় না। তিনি আরও বলেন, শরিয়া আইনের রাজনীতি করেও যারা শরিয়া আইন থেকে দূরে থাকতে চায়, তারা প্রকৃত ইসলামিক দল হতে পারে না।